×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

অর্থ শিল্প বাণিজ্য

সময় শেষ হলেও পূরণ হয়নি চাল আমদানির লক্ষ্যমাত্রা

Icon

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে চাল আমদানির যে সময়সীমা ছিল তা শেষ হয়েছে গত বুধবার। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চাল আমদানি করতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। ভারত সরকারের শুল্ককর আরোপ ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় ডলার সংকটের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বরাদ্দ চাল আমদানি সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে সময় শেষ হওয়ায় ও শুল্ক বৃদ্ধি বহাল থাকায় বরাদ্দ অবশিষ্ট চাল আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। গত ২১ মার্চ ও ১৬ এপ্রিল দুই ধাপে দেশের ৮০টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৭ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত ছিল আমদানি ও বাজারে সরবরাহের শেষ সময়সীমা। তবে ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দুই ধাপে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাত্র ২৮০ টন চাল আমদানি করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন- প্রতি বছর দেশের চালের চাহিদা রয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ টনের মতো। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ টন। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি হলেও মজুত করতে চাল আমদানি করা হয়ে থাকে। সম্প্রতি দেশে চালের দাম বাড়লে বাজারে সরবরাহ বাড়াতে গত ১৩ মার্চ দেশের ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। এর মধ্যে সেদ্ধ চাল রয়েছে ৪৯ হাজার টন ও আতপ চাল ৩৪ হাজার টন। পরে ১৬ এপ্রিল আরো ৫০টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন শর্ত দিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সেদ্ধ চাল রয়েছে ৯১ হাজার টন ও আতপ চাল ৩৩ হাজার টন। বাংলাদেশ সরকারের বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যে নানা শর্ত জুড়ে দেয় ভারত সরকার। এমনকি ২৫ শতাংশ শুল্ককর আরোপ করে দেশটি। চাল আমদানিকারকরা জানান- চাল আমদানির অনুমতি পেলেও চালের ওপর ভারত সরকারের নানা শর্ত এবং শুল্ককর আরোপ ও দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় ডলারের সংকট থাকায় এখন পর্যন্ত চাল আমদানি করতে পারেনি। এর মধ্যে আমদানির সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের অনেক টাকা লোকসান গুনতে হবে। তারা আরো জানান- চাল আমদানিতে ভারতে ২৫ শতাংশ ও বাংলাদেশে ১৫ শতাংশ শুল্ককর পরিশোধ করতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় চাল আমদানি করলেও লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া চাল আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান তারা। বেনাপোল বাজারের চাল বিক্রেতারা জানান- বর্তমানে বাজারে চালের দাম বাড়তি। খুচরা বাজারে মোটা চাল ৫০ টাকা, কাজল লতা ৫৫ টাকা, বাসমতি ৭৪ টাকা, তেষট্টি চাল ৬৮ টাকা ও মিনিকেট ৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আমদানি হলে আর নতুন ধানের চাল ঘরে উঠলে দাম কমবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App