×

সারাদেশ

এক সপ্তাহে ৮টি সাপ উদ্ধার

বিষধর রাসেলস ভাইপারের উপদ্রবে ভোলায় আতঙ্ক

Icon

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিষধর রাসেলস ভাইপারের উপদ্রবে ভোলায় আতঙ্ক

ভোলা প্রতিনিধি : জেলার চার উপজেলায় গত এক সপ্তাহে ৮টি বিষধর রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের দেখা মিলেছে। এ সময় স্থানীয়রা সাপগুলো পিটিয়ে মেরে ফেলেন। লোকালয়ে এমন বিষধর সাপ দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার শিবপুর চায়না ইপিজেড বালুর মাঠে একটি, তজুমউদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাচারি বাড়ির সামনে একটি ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের জসিম হাওলাদারের বাড়িতে একটি রাসেলস ভাইপার পাওয়া যায়। আগের দিন গত বুধবার বিকালে তজুমউদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী এলাকায় একটি সাপ ধরা পড়ে। গত মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নে পাকার মাথা এলাকায় বাড়ির পাশে রাসেলস ভাইপার পাওয়া যায়। ওই দিন রাতেই দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জালু মাঝির ঘর থেকে আরো একটি রাসেলস ভাইপার উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত ১৬ জুন লালমোহন উপজেলার সৈয়দাবাদ এলাকার একটি বাড়িতে ও মনপুরার মেঘনা পাড়ে আরো দুটি সাপ দেখা যায়। একের পর এক বিষাক্ত এ সাপ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের দাবি- বন বিভাগের অবমুক্ত করা সাপগুলোই ঝড় ও জলোচ্ছ¡াসের সময় পানির সঙ্গে লোকালয়ে চলে আসছে। এর আগে ভোলায় এ রকম রাসেলস ভাইপারের উপদ্রব ছিল না।

ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৮ থেকে ১০টি বিষাক্ত রাসেলস ভাইপার জীবিত উদ্ধার করে চর কুকরি-মুকরি, মনপুরাসহ বিভিন্ন ম্যানগ্রোব বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে এ সাপের কামড়ে ভোলায় এখনো কোনো মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, রাসেলস ভাইপার সাপ লোকালয়ে সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। বাচ্চা দেয়ার কারণে হয়তো সাপগুলো লোকালয়ে চলে এসেছে। তবে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এই সাপ দেখলে মেরে না ফেলে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের জানানোর জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শফিকুজ্জামান ভোলাবাসীকে সর্তক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এই সাপ বিষাক্ত। বিষক্রিয়ায় রক্ত জমাট বেঁধে যায়। ফলে অত্যাধিক রক্তক্ষরণে দীর্ঘ যন্ত্রণার পর মৃত্যু হয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App