×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

সারাদেশ

৪৭ কিলোমিটার তিস্তা সেচ খাল সংস্কার হচ্ছে

Icon

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

৪৭ কিলোমিটার তিস্তা সেচ খাল  সংস্কার হচ্ছে

মোস্তাফিজুর রহমান বকুল, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) থেকে : শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নদীর পানি দিয়ে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলায় তিস্তা সেচ খাল সংস্কার করা হচ্ছে। খালটি সংস্কার শেষে পানি প্রবাহ শুরু হলে এ অঞ্চলে সহস্রাধিক একর কৃষি জমি এর সুফল পাবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকায় সেচ খাল পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলায় প্রায় ৪৭ কিলোমিটার (ঞ২ঝ৮উ) খাল সংস্কার করছে। ৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকায় ঞ২ঝ৮উ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘মেসার্স কনক কনস্ট্রাকশন’ নামে ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বিভাগ প্রকল্পটি তদারকি করছে। ২০২৩ সালের আগস্টে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্রমতে, দিনাজপুর জেলার অংশ প্রায় ৪৭ কিলোমিটার সেচ খাল সংস্কার প্রকল্পটির মধ্যে পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের ক্যানেলের বাজার থেকে মনমথপুর ইউনিয়নের তাজনগর মন্ডলপাড়া পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এবং দিনাজপুরের প্রধান সেচ খাল চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়ন থেকে শুরু হয়ে ইসবপুর ইউনিয়ন ও আব্দুলপুর ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রায় ২৭ কিলোমিটার রয়েছে।

খালটি সংস্কার শেষে পানি প্রবাহ শুরু হলে প্রকল্প এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি ডিজেল ও বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রাও (ডলার) সাশ্রয় হবে।

সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সইএন) মো. মেহেদী হাসান গত মঙ্গলবার ভোরের কাগজকে জানান, তিস্তা নদী হতে গ্রাভিটি ফ্লোয়ের মাধ্যমে সেচের পানি খালসমূহে সরবরাহ করা হবে। নদীর পানিতে পলি মাটি থাকে। এই পানি দিয়ে সেচ দেয়া হলে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমবে। এ পর্যন্ত ৫০ থেকে ৫৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App