×

সারাদেশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ঈদযাত্রায় দাউদকান্দির ৫ স্থানে যানজটের শঙ্কা

Icon

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : আসন্ন কুরবানি ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি অংশের ৫টি স্থানে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গেল ঈদুল ফিতরের সময় হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তিতে না পড়লেও এবার ভোগান্তির শঙ্কা রয়েছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাউদকান্দি অংশের যানজট হওয়া ৫টি স্থানকে চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

সূত্র মতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির বলদাখাল, বিশ্বরোড, শহিদনগর, গৌরীপুর, রায়পুর ও ইলিয়টগঞ্জ মোড়ে মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন দরজাখোলা মাইক্রোবাসে যাত্রী ওঠানামা, ইজিবাইক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ওঠানামা এবং মোড়গুলোতে এলোমেলো যানবাহন পার্কিং করে রাখতে দেখা যায়। ঈদযাত্রার আগেই ১৫ কিলোমিটার সড়কে যানজটে ভুগছেন চলাচলকারী যাত্রীরা। আর যানজটের প্রধান কারণ হলো, এসব স্থানের অবৈধ বাজার ও বাসস্ট্যান্ড। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাশে বাজার ও স্ট্যান্ডগুলো অপসারণ করতে না পারলে মহাসড়ক যানজটমুক্ত করা যাবে না বলে জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এছাড়া ঈদের আগে সড়কে ফিটনেসহীন লেগুনাসহ অনেক যানবাহন নামে, যেগুলো বিকল হলে ব্যস্ত সড়কে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। অনিরাপদ ইউটার্ন ও মহাসড়ক পারাপারে ওভারপাসের নিচ দিয়ে হেঁটে মহাসড়ক পারাপারেও যানজট লেগে থাকে। এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করলে ঈদুল ফিতরের মতো এবারো মহাসড়ককে যানজটমুক্ত ও নিরাপদ রাখা যাবে।

এ বিষয়ে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, ঈদ পূর্বে ঘরমুখো এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলগামী মানুষ যাতে নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারে সে লক্ষ্যে দ্রুত ভাঙা ডিভাইডার সরিয়ে ওই স্থান মেরামত করতে হবে। না হলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশে অবৈধ বাজার ও স্ট্যান্ডগুলো অপসারণ, ফিটনেসবিহীন দরজাখোলা মাইক্রোবাসের অদক্ষ চালকদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সড়ক যানজটমুক্ত থাকবে বলে আশা করেন তিনি।

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ওসি মো. শাহীনূল ইসলাম বলেন, অবৈধ স্ট্যান্ড, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, সেই সঙ্গে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বাড়লে দাউদকান্দির ৫-৬ পয়েন্টে যানজটের কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। আর যানজটের সব কারণ চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে সেগুলো প্রতিকারে কাজ শুরু করেছি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের গৌরীপুর অঞ্চলের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, হয়তো কোনো গাড়ির ধাক্কায় রোড ডিভাইডার কয়েকটি পড়ে গেছে। আর এগুলোর ওজনও অনেক বেশি। এগুলো উঠিয়ে আবার বসানোর মতো যন্ত্রও আমাদের নেই। তবে সড়কে যানচলাচল যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App