×

সারাদেশ

হাটে ক্রেতাদের ভিড়

মহম্মদপুরে মাঝারি গরুর চাহিদা ও দাম বেশি

Icon

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মুরাদ হোসেন, মহম্মদপুর (মাগুরা) থেকে : ঈদুল আজহার আর বেশি দেরি নেই। আগামী ১৭ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা।

এদিকে ঈদুল আজহাকে ঘিরে মহম্মদপুরে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট। কুরবানির জন্য পছন্দের পশুটি কিনতে এখন মানুষ ছুটছেন হাটে। তবে যাদের পশু রাখার জায়গা নেই তারা এখনো রয়েছেন অপেক্ষায়। খামারি, ব্যবসায়ী আর ক্রেতাদের ভিড়ে চলছে গরু-ছাগল বেচাকেনা। তবে হাটে ছোট এবং মাঝারি আকারের পশুর চাহিদা যেমন বেশি, তেমনি দামও কিছুটা বেশি।

জানা যায়, উপজেলায় নির্ধারিত কয়েকটি পশুর হাট রয়েছে। কিন্তু কুরবানির ঈদ উপলক্ষে সাপ্তাহিক বিভিন্ন হাটে বেচাকেনা হচ্ছে পশু। দেশি-বিদেশি নানা জাতের গরু ও ছাগলের আমদানি দেখা যায় হাটে গেলে। হাটে কেউ কুরবানি পশু বিক্রি কেরতে এসেছেন, আবার কেউ কিনতে এসেছেন। তবে এখনো দাম কমেনি পশুর। তাই হাটগুলোতে পশুর আমদানি বেশি থাকলেও সেভাবে জমে উঠেনি বেচাকেনা। আর এমনটাই জানিয়েছেন পশু বিক্রেতারা। অন্যদিকে ক্রেতারা বলেন, দাম চড়া, মধ্যবিত্ত বা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

ক্রেতারা বলেন, এবার পশুর দাম চড়া। এতে মধ্যবিত্ত বা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে পশুর দাম। বিক্রেতারা বলেন, ক্রেতারা অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে ঘোরাঘোরি করে দর কষাকষি করছেন, কিন্তু কিনতে পারছেন না পছন্দের কুরবানির পশুটি।

সূত্র আরো জানায়, উপজেলা সদরে শনিবার ও মঙ্গলবার দুদিন পশু বেচাকেনার হাট বসানো হয়েছে। এছাড়া ধোয়াইল বাজারে সাপ্তাহিক রবিবার ও বৃহস্পতিবার বসবে পশুর হাট। এসব হাটে বেচাকেনা চলছে দেশি-বিদেশি গরু ও ছাগল। তবে মাঝারি ও ছোট আকারের পশু খুঁজছেন বেশির ভাগ মানুষ। এজন্য বড় পশুর চেয়ে মাঝারি পশুর দামও বেশি। সরজমিন হাটে গিয়ে দেখা যায়, দূরদূরান্ত থেকে মিনিট্রাক, নসিমন, করিমন ও ভটভটিতে করে গরু নিয়ে আসছেন মালিক, খামারি ও বেপারিরা। দুপুরের পরপরই জমে উঠে গরু-ছাগলের হাট। এবারো ছোট ও মাঝারি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি। তবে দাম কিছুটা চড়া। আর দাম বেশি হওয়ায় কম বাজেটে কুরবানির পশু কিনতে আসা সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন। সাধ্যের মধ্যে দাম না থাকায় অনেকে পশু না কিনে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। বিক্রেতারা জানান, বাজারে গো-খাদ্যের দাম বেশি। ফলে গরু পালন করতে প্রায় দ্বিগুণ খরচ বেড়েছে। তাই কুরবানির পশুর দামও বেড়েছে। এতে তাদের কিছু করার নেই। এজন্য ঊর্ধ্বমুখী বাজার ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন বিক্রেতারা। এদিকে হাটে আসা উপজেলার ধোয়াইল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম এবং ধোয়াইল গ্রামের হাফিজার মোল্যাসহ কয়েকজন ক্রেতা জানান, দাম বেশি হলেও না কিনে উপায় কি, শেষ মুহূর্তে কিনতে হবে কুরবানির পশু। এক-দুই হাটের মধ্যে পছেন্দের পুশুটি কিনে ফেলবেন বলে জানান তারা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App