×

সারাদেশ

চাহিদার চেয়ে ৫ হাজার বেশি পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত

Icon

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

 চাহিদার চেয়ে ৫ হাজার বেশি  পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত

ইসমাইল হোসেন বাবু, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) থেকে : ভেড়ামারায় কুরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন খামারি ও স্থানীয় গৃহস্থ পরিবারগুলো ২৫ হাজারের বেশি পশু প্রস্তুত করেছে। এ বছর উপজেলায় কুরবানির পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৪১৪টি। চাহিদার চেয়ে গবাদিপশুর সংখ্যা বেশি আছে।

ভেড়ামারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, অন্যান্য বছরের মতো এবারো কুরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছে। চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৯৫টি পশু প্রস্তুত আছে। ফলে কুরবানির জন্য কোনোরকম সংশয়, সংকট বা আশঙ্কার কারণ নেই।

সূত্র আরো জানায়, আসন্ন ঈদে কুরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ২৫ হাজার ৫১০টি। এর মধ্যে গরু ১৬ হাজার ১৯টি, মহিষ ১ হাজার ৮০০ ৩৬টি, ছাগল ৬ হাজার ৫০২ এবং ভেড়া ১ হাজার ১৫৪টি। এসব পশু আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বিক্রয় করা হবে।

বারমাইল এলাকার গরু খামারি আমজাদ হোসেন বলেন, আমার খামারে ৯৫টি গরু বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমার খামারের সবচেয়ে বড় গরুটির মূল্য ৬ লাখ টাকা।

জুনিয়াদহ ইউনিয়নের খামারি ছলিম মোল্লা জানান, তিনি চলতি বছর তার ৩০টি গরুর মধ্যে ২৫টি বিক্রি করবেন। তার খামারে সব দেশি জাতের গরু। এগুলো ওজন করে বিক্রি করা হবে যাতে ক্রেতা চাহিদা অনুযায়ী নিতে পারেন। ধরমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল হক বলেন, ইতোমধ্যে ধরমপুর গোহাট বাজারের ঐতিহ্যবাহী পশুর হাটে কুরবানির পশু কেনাবেচা শুরু হয়েছে। এই বাজারে সোম ও মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত গবাদিপশু কেনাবেচা করতে পারবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কানিস ফারজানা বলেন, উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী প্রতিটি গবাদিপশুর হাট-বাজারে ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম সেবা দেবে। কোনো গবাদিপশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে। আসন্ন কুরবানির ঈদে হাটে আগত ব্যবসায়ী ও খামারিরা যাতে নির্বিঘেœ তাদের পশু বিক্রি করতে পারে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ ও প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আরো জানান, এবার কুরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ২৫ হাজার ৫১০টি। এই ঈদে প্রাণীর সংকট পড়বে না। চাহিদার তুলনায় গবাদিপশুর সংখ্যা বেশি আছে ৫ হাজার ৯৫টি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি) ডা. মো. এনামুল হক বলেন, এ বছর প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণের জন্য উপজেলাভিত্তিক তালিকাভুক্ত খামারিদের সারা বছর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকাশ কুমার কুন্ডু বলেন, ঈদুল আজহা সামনে রেখে যাতে ভারতের গরু বাংলাদেশে অবৈধভাবে ঢুকতে না পারে সে জন্য বিজিবির সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। খামারিরা যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সে জন্য সব ধরনের প্রস্ততি নেয়া হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App