×

সারাদেশ

কুরবানি সামনে ব্যস্ত বীরগঞ্জের খামারিরা

Icon

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বীরগঞ্জ উপজেলার গরুর খামারিরা। উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে অনেকেই ছোট-বড় গরুর খামার করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। বিগত বছরগুলোতে ভালো দাম পেয়ে থাকলেও এ বছর খামারিরা লাভ পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত। সব ধরনের গো-খাদ্যর দাম বৃদ্ধি এবং এ বছর প্রচণ্ড খরতাপে উপজেলায় বিস্তীর্ণ জমিতে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো দুর্বা (কাঁচা ঘাস) ও জমিতে চাষ করা বিভিন্ন জাতের ঘাস রোদে পুড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় লাভ হবে না বলে মনে করছেন খামারিরা।

তবে অন্যান্য ব্যবসার তুলনায় এ এলাকার কৃষকরা গরু পালনে বেশি উৎসাহী হয়ে থাকেন। এতে একসঙ্গে অনেক পুঁজি লাগে না, দিনে দিনে স্বল্প খরচ করার কারণে খামারিদের বাড়তি চাপ কম হয়। পবিত্র ঈদুল আযহার আর বেশি দেরি নয়, তাই কুরবানিকে সামনে রেখে গরু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। শিবরামপুর ইউনিয়নে আজারি মিলনপুর গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি নেকবর আলী বলেন, বর্তমানে বাজারে সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়েছে। তাছাড়া এ বছর খামারিরা গো-খাদ্য হিসেবে ভুসিসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যের ওপর অনেকটা নিভরশীল হয়ে পড়েছে। খামরিরা জানান, প্রতি বস্তা ভুসি ১ থেকে ২ হাজার টাকা, খড় ৫ থেকে ৬০০ টাকা মণ, ফিড ২৫ কেজির বস্তা ৮০০-১০০০ টাকা, গম চল্লিশ কেজি প্রতি বস্তা এক থেকে দেড় হাজার টাকা, ভুট্টা ৪০ কেজির প্রতি বস্তা পনেরশ থেকে দুই হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে গরুর শরীরে তুলনামূলকভাবে মাংস বাড়ছে না। তাছাড়া সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গরু পালনে খরচ বেড়ে গেলেও কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা পশুর কাক্সিক্ষত দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত খামারিরা। বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ওসমান গনি জানান, নেকরব আলির খামার অনেক বড়। তিনি একজন দক্ষ খামারি। তাকে দেখে গ্রামের অনেকে গরু পালনে উৎসাহিত হচ্ছেন। তার খামারের গরু উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App