×

সারাদেশ

মধ্যনগরে প্রথম উপজেলা নির্বাচন

এক প্রার্থীর পক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রভাব বিস্তার!

Icon

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মো. সাজ্জাদ হোসেন শাহ্, সুনামগঞ্জ থেকে : মধ্যনগর উপজেলা পরিষদের প্রথম বারের মতো ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ বুধবার। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মধ্যনগর উপজেলার দাতিয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল বাতেনের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক। তার পক্ষে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রভাব বিস্তার করছেন বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইদুর রহমানের এজেন্ট অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান ঝিনুক।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নে জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিচয় দিয়ে কিছু লোক বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন ও আমার নির্বাচনী এজেন্টদের বিরুদ্ধে খোঁজখবর নিতে থাকেন, যা আমার কাছে এজেন্টদের ভয়ভীতি ও সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা মনে হচ্ছে। শুধু তাই নয় এ উপজেলার বাসিন্দা একাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদ্যরা ছুটিতে এসে প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাকের পক্ষে নিজ নিজ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা ও সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এর মধ্যে উপজেলার বলরামপুরের বাসিন্দা এএসআই বিল্লাহ অন্যতম।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনকে একটি প্রভাবমুক্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

একজন গণমাধ্যমকর্মী সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলে সোমবার রাতে একটি ক্ষুদে বার্তায় লিখেছেন, ‘মধ্যনগরে ডিআইজির ভাই প্রার্থী হয়েছেন ভালো কথা, তাই বলে পুলিশ প্রার্থীর জন্য কাজ করবে সেটা কেমন কথা’? সুনামগঞ্জের মধ্যনগর প্রত্যন্ত উপজেলা হওয়ায় সেখানে পুলিশ সদস্যরা ডিআইজি বাতেনের ভাইয়ের পক্ষে ভোট চাইছেন, অন্যান্য প্রার্থীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। প্রার্থীকে জেতাতে পুলিশে চাকরিরত অবস্থায় ছুটি নিয়ে এসে ভোট চাচ্ছেন এবং অন্যান্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ, ডিআইজির ভাইকে জয়ী করতে চাইলে সরাসরি বলে দেন, আর আমরা অন্য প্রার্থীদের বলি সংবাদ সম্মেলন করে তারা যেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

জানতে চেয়ে এএসআই বিল্লাহর ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা করা হলে তিনি ভোরের কাগজকে বলেন, নির্বাচনে কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না, সে যেই হোক। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জেলা প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসন জিরো টলারেন্সে রয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App