×

সারাদেশ

তালায় বয়স জালিয়াতি করে ৩৭ বছর চাকরি

Icon

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : তালায় সনদে বয়স জালিয়াতি করে প্রায় ৩৭ বছর ধরে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ‘ভিএস ম্যাশন’ পদে চাকরি করছেন মীর আব্দুল গনি। তিনি তালা সদরের মৃত মীর বদর উদ্দীনের ছেলে। বয়স জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে এলেও নজরে আসেনি কারো।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মীর আব্দুল গনির বিরুদ্ধে জমি দখল, প্রতারণা, চুরি, নারী কেলেংকারীসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। সরকারি চাকরি করার পরও স্ত্রী ছামেনা খাতুনের নামে ৫০ শতাংশ খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়ে ভোগদখল করে আসছেন তিনি। জন্ম তারিখ অনুয়ায়ী মীর আব্দুল গনির বয়স এখন ৫৮ বছর। তার জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৫ জুন ১৯৬৬। তার ছোট ভাই মীর রফিকুল ইসলামের জন্ম ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫১। স্থানীয়রা জানান, ৩৭ বছর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তরের ‘ভিএস ম্যাশন’ পদে চাকরি করে চলেছেন মীর আব্দুল গনি। টানা ২৭ বছর তিনি নিজ উপজেলায় চাকরি করেন। কর্মস্থলের পাশে বাড়ি হওয়ায় অধিকাংশ সময় অফিসে দেখা যায় না তাকে।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ২৭-২৮ ধরে একই এলাকায় কর্মরত থাকার সুবাদে মীর আব্দুল গনি অফিস ফাঁকিসহ চরমপন্থি নেতা কফিল উদ্দীন খাঁর সঙ্গে মিলে জমি প্রতারণা, দখল, সুদের ব্যবসা, জাল দলিল তৈরিসহ নানান অপকর্মে জড়িত রয়েছেন। স্থানীয়রা আরো জানান, মীর আব্দুল গনির প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৫০ সালের দিকে। তার চেয়ে বয়সে ছোট অনেকেই চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছেন। এদিকে মীর আব্দুল গনির আপন ছোট ভাইয়ের বয়স বর্তমানে প্রায় ৭২ বছর। অন্য ছোট ভাইদের বয়সও জন্ম সনদ অনুয়ায়ী তার চেয়ে বয়স বেশি থাকলেও জালিয়াতি করে কমিয়ে বহাল তবিয়াতে চাকরি করে যাচ্ছেন তিনি। মীর আব্দুল গনি বলেন, আমার বয়স ৭৪ বছর চলে মেনে নিলাম। আপনারা প্রমাণ করেন। আমার ক্ষমতা আছে আমি চাকরি করি আপনারা যা করার করেন। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী কৌশিক রায় জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App