×

সারাদেশ

মেঘনায় জমি দখলের অভিযোগ

Icon

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : মেঘনা উপজেলায় জোরপূর্বক জমি দখল ও মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার উপজেলার লুটেরচর গ্রামের দক্ষিণ পাশে ভাটেরচর নতুন রাস্তা থেকে উপজেলা যেতে প্রায় ১ কিলোমিটার এগিয়ে হাইওয়ে রাস্তা থেকে শ্যামলীমা প্রজেক্ট পর্যন্ত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রাস্তার কাজ চলাকালে জোরপূর্বক জমি দখল ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এই জায়গা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে কুমিল্লার আদালত, দাউদকান্দি সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মুক্তার হোসেন বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। বাদী আইনি লড়াইয়ে কুমিল্লার লাকসাম সিনিয়র জজ আদালত থেকে গত ২৯ মে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও নিয়ে আসেন। এ নিষেধাজ্ঞায় আছে, আগামী ধার্যকৃত তারিখ পর্যন্ত নালিশি ভূমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল আদেশ বজায় রাখার নির্দেশ দেয়া গেল। কিন্তু কোর্টের এই আদেশ অমান্য করে চলছে শ্যামলীমা সমবায় সমিতি লিমিটেডের রাস্তার কার্যক্রম। মামলাধীন ভূমি হচ্ছে বিএস ১৩৮৬ ও ৩৫৫ সাবেক ৬১২, ৬১৩, ৭৫১, ৬১৪, ৫৬৪ মোট ১১৪ শতক ভূমির উপর মামলা চলমান। শ্যামলীমা সমবায় সমিতির লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মেঘনা উপজেলার সাবেক ইউএনও বর্তমান রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালক মোহাম্মদ সামছুল হকের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, এখানে এলজিইডির একটা প্রকল্পের কাজ করছে, যারা অভিযোগ করছে তারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে। এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী অহিদুল ইসলাম সিকদার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, শ্যামলীমা প্রজেক্টে এখন কোনো এলজিইডি কাজ করছে না।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক তাদের ব্যক্তি মালিকানা জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করছে। সরকারি কোনো প্রকল্প নেই, নেই কোনো সরকারি অনুমোদন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাস বলেন, আমি সরজমিন খাসজমি নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং এ জমির বাইরে কাজ না করার নির্দেশ দিয়েছি। এই রাস্তা নির্মাণের নামে স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাঝে টাকার অঙ্ক পারসেন্টেজ হিসাবে ভাগাভাগি হয় বলে মানুষের মাঝে গুঞ্জন রয়েছে। সাধারণ মানুষ বাধা দিতে গেলে তাদের হামলা-মামলা ও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। প্রভাবশালীদের আতঙ্কে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App