×

সারাদেশ

অপরিপক্ব ফলে সয়লাব বরিশালের বাজার

Icon

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

এম কে রানা, বরিশাল থেকে : বাংলা ১২ মাসের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ মাসে সবচেয়ে বেশি মিষ্টি ফল পাওয়া যায়। তাই এ মাসকে মধু মাস বলা হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো গাছে গাছে ঝুলছে অপরিপক্ব আম, কাঁঠাল, লিচুসহ নানা মৌসুমি ফল। পরিপক্ব হওয়ার আগেই অপরিপক্ব মৌসুমি ফলে ভরে গেছে বরিশালের বাজার। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে আগেভাগেই বাজারজাত করছে অপরিপক্ব ফল।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে বরিশালের বাজারে এসেছে আম, কাঁঠাল, লিচুসহ অন্যান্য মৌসুমি ফল। প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ফল ক্রেতারা। তাদের দাবি, ফলের বাজারে ভোক্তা অধিকারের উচিত মনিটরিং করা। আর চিকিৎসকদের মতে, এসব অপরিপক্ব ফল খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ।

এদিকে বরিশালের বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে অপরিপক্ব ফল বিক্রি হলেও সেদিকে প্রশাসনের নজর নেই বলে অভিযোগ ফল ক্রেতাদের।

গত মঙ্গলবার সরজমিন বরিশালের পাইকারি ফলের আড়তসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অপরিপক্ব আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি হচ্ছে। দামও বেশ চড়া। তবে দাম বেশি হলেও বছরের প্রথম ফল বলে অনেকেই কিনছেন। পরিপক্ব আর অপরিপক্ব যাই হোক এখন সব ফলের চাহিদা বেশি। বিশেষ করে লিচু, আম ও কাঁঠাল বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে ১শ লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৭০ টাকা দরে যা খুচরা বিক্রেতারা ৩০০ টাকা বা তারও বেশি দরে বিক্রি করছে। অন্যদিকে গোপালভোগ পাইকারি বাজারে ৬০ টাকা হলেও খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা দরে। আর হিমসাগর পাইকারি আমের কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বিক্রেতারা দাম হাঁকছেন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। এছাড়া সাইজ অনুসারে কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে।

নতুনবাজার এলাকার খুচরা ফল বিক্রেতা মিন্টু বলেন, তার দোকানে পরিপক্ব ছাড়া কোনো ফল নেই। নগরীর ফলপট্টি এলাকার ফল ব্যবসায়ী নজরুল বলেন, পাইকারি বাজারে ফলের দাম বেশি হওয়ায় তারা খুচরা বিক্রেতারা একটু বেশি দামেই বিক্রি করছেন।

ব্যাংকার নাজমা বেগম এসেছেন লিচু কিনতে, তবে দোকানদারের দেয়া লিচু খেয়ে লিচু কেনার আগ্রহ হারিয়েছেন।

স্কুলশিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, ভোক্তা অধিকারের উচিত নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ করা। কোন ফলগুলো পরিপক্ব আর কোনগুলো অপরিপক্ব এটা দেখা প্রয়োজন।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আশীষ কুমার বলেন, অপরিপক্ব ফল অবশ্যই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অপরিপক্ব ফল সংরক্ষণ করার জন্য যে মেডিসিন ব্যবহার করা হয়, সেটা আরো বেশি ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App