×

সারাদেশ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট

বিজ্ঞাপন দিয়ে হারবাল পণ্য বিক্রি, বিদেশিসহ গ্রেপ্তার ২

Icon

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের পরিচয়ে খোলা হয় ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। আর সেই আইডি থেকে হেয়ার টনিকসহ রূপচর্চার নানা হারবাল পণ্যের বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম ব্যবহারের কারণে বিশ্বাস করে এসব পণ্যের অর্ডার করে মানুষ।

চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে এসব হারবালসামগ্রী বিক্রির রমরমা বাণিজ্যে জড়িত একজন ভিয়েতনামি নাগরিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ভিয়েতনামি নাগরিক ট্রান-আনহ-থো ওরফে মিস্টার টনি ও বাংলাদেশি নাগরিক নুরুল আমিন ওরফে ইয়ামিন।

গত শুক্রবার রাতে ডিবি সাইবার ক্রাইম বিভাগের (দক্ষিণ) একটি দল গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি মোবাইল ফোন, ৪টি ল্যাপটপ ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন চাইনিজ ও ভিয়েতনামি পণ্য উদ্ধার করা হয়।

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্তি কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর শাহবাগ থানায় করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভুয়া ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে ডিবি। একপর্যায়ে আমরা দেখতে পাই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে হেয়ার টনিক ও চুলের ট্রিটমেন্টসহ বিভিন্ন চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করা হচ্ছে। এর সূত্র ধরে গুলশানে অভিজাত এলাকায় ইউনিক সিপিং এজেন্সি নামে একটি কোম্পানির সন্ধান পায় ডিবি। যারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ দেশের বিভিন্ন সেলিব্রেটি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভিয়েতনাম ও চীন থেকে আমদানিকৃত নি¤œমাণের পণ্য বিক্রি করে আসছে।

প্রতারণার বিষয়ে ডিবি প্রধান হারুন বলেন, মিস্টার টনি ও নুরুল আমিন প্রতারণা চক্রের মূল এজেন্ট। স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে বিজ্ঞাপন দেয় তারা। এই ভুয়া ফেসবুক পেজগুলো ভিয়েতনাম থেকে মি. ডং নামে একজন পরিচালনা করেন। আর সেই চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে দেশের সাধারণ মানুষ পেজে অর্ডার করে। এরপর ভিয়েতনামে থাকা এই চক্রের মার্কেটিং গ্রুপ থেকে ইউনিক সিপিং এজেন্সি নামের কোম্পানিতে বাংলাদেশে কর্মরত ব্যক্তিদের কাছে তথ্য পাঠানো হয়। সেখান থেকে গ্রাহককে ফোন করে অর্ডার কনফার্ম করে কুরিয়ারে পণ্য পৌঁছে দেয়া হয়। এসব নি¤œমানের পণ্য ভিয়েতনাম ও চীন থেকে আনা হলেও তা বাংলাদেশে বিপণনের কোনো বৈধতা নেই। সাধারণ মানুষকে এসব বিজ্ঞাপন দেখে পণ্য কেনার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেন হারুন অর রশিদ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App