×

সারাদেশ

কসবায় সংবাদ সম্মেলন

ফলাফল প্রত্যাখান করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি

Icon

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক, ব্রা?হ্মণবাড়িয়া : ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুটি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই নির্বাচনে কসবা উপজেলার ৩৮টি কেন্দ্রে বিভিন্ন অনিয়ম ও এজেন্টদের বের করে দিয়ে নির্বাচনী কাজে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ভোট কেটে নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন পরাজিত চেয়াম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। গতকাল বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে চেয়ারম্যান প্রার্থী আইনমন্ত্রীর সাবেক এপিএস উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়ার কসবাস্থ বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনের করে ফলাফল প্রত্যাখ্যান এবং পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া বলেন, গত মঙ্গলবার প্রহসনমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকে আমার কর্মী-সমর্থক ও এজেন্টদের ৩৮টি কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়। ৮৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ওই ৩৮টি কেন্দ্রে ব্যাপক ভোট কারচুপি হয়েছে। ডিসি, এসপি, ইউএনও ও ওসিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানালে ব্যবস্থা নিচ্ছি ও নেয়া হচ্ছে বলে কালক্ষেপণ করা হয়েছে। প্রহসনের এ নির্বাচন আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা ওই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন। ৩৮টি কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। এ নির্বাচন স্থগিত করে পুনরায় ভোগগ্রহণের দাবি করেন তিনিও। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কসবা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. এমরান উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আফজাল হোসেন ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৮৫ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ছাইদুর রহমান স্বপন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী মো. রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৫৭ ভোট।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৬ হাজার ৫৫৬ ভোট পেয়ে চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী মো. মনির হোসেন তালা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৪৯ হাজার ১৯১ ভোট।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শাহারিয়ার মুক্তার বলেন, জাল ভোট দেয়া ও চেষ্টার অপরাধে বেশ কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সমস্যার খবরে ম্যাজিস্টেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App