×

সারাদেশ

পাস করলেন সরিষাবাড়ীর সিয়াম

পায়ে লিখে জিপিএ-৫ পেলেন সীতাকুণ্ডের রাব্বি

Icon

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পায়ে লিখে জিপিএ-৫ পেলেন  সীতাকুণ্ডের রাব্বি
কাগজ ডেস্ক : প্রতিবন্ধিতা কোনো বাধা নয়- তা প্রমাণ করে দিলেন দুই শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পায়ে লিখে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী হাজী তোবারাক আলী চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র রফিকুল ইসলাম রাব্বি। অপরদিকে একইভাবে পায়ে লিখে পরীক্ষায় পাস করেন জামালপুরের সরিষাবাড়ীর প্রতিবন্ধী মেধাবী শিক্ষার্থী সিয়াম। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) : সীতাকুণ্ডে চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে ভাটিয়ারী হাজী তোবারাক আলী চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় থেকে থেকে এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন রফিকুল ইসলাম রাব্বি। ভাটিয়ারী হাসনাবাদ এলাকার বজলুর রহমানের ছেলে। ২০১৬ সালে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পর্শের কারণে তার দুটি হাত কাটা যায়। রাব্বির বাবা বজলুর রহমান বলেন, আমার ছেলে মনোবল ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। অগণিত মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা আমার ছেলের সঙ্গে আছে। রাব্বি বলেন, আমি যে শারীরিক প্রতিবন্ধী সেটা কখনো আমি মনে করিনি। আমার মনোবল সব সময় শক্ত ছিল। যার কারণে মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি ভালো রেজাল্ট করেছি। ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন রাব্বি। ভাটিয়ারী হাজী তোবারক আলী চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কান্তি লাল মাস্টার বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও রাব্বি অন্য শিক্ষার্থীদের চেয়ে ভালো ফলাফল করায় আমরা মুগ্ধ। সে জীবনে অনেক বড় হোক এই প্রত্যাশা করি। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মেধা, মনোবল ও মানুষের দোয়ার কারণে সে এ প্লাস পেয়েছে। তাই আমি বিত্তবানদের অনুরোধ করব, রাব্বির লেখাপড়ার সহযোগিতায় যেন তারা এগিয়ে আসেন। সরিষাবাড়ী (জামালপুর) : দুই হাত না থাকলেও বন্ধ হয়নি সরিষাবাড়ীর মেধাবী শিক্ষার্থী সিয়ামের লেখাপড়া। অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মেনেছে প্রতিবন্ধকতা। অভাব, দারিদ্র ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে পা দিয়ে লিখে এবারের এসএসসি পরিক্ষায় পাস করেছে চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সিয়াম। তার প্রাপ্ত নম্বর- জিপিএ ৩.৮৩। সয়ামের বাবা জিন্নাহ মিয়া বলেন, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় আমরা তাকে লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে পারি না। এখন কোথাও ভর্তি করাতে পারব কিনা জানি না। চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, সে যদি আমাদের এখানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয় তাহলে তাকে বিনা বেতনে পড়ানো হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App