×

সারাদেশ

ঢাবিতে ‘যৌন হয়রানি’

অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আলটিমেটাম

Icon

প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাবি প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এজন্য ঘটনার দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে ৩ দিনের আলটিমেটাম দেন তারা। গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের পাদদেশে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই আলটিমেটাম দেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিভাগটির ১৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিজ খান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ফেব্রয়ারিতে বিভাগের এক শিক্ষার্থী ও রাজধানীর অন্য আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থী নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ দেন। এর সত্যতা যাচাইয়ে মার্চ মাসে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পরবর্তী সময় দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু দুই মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তদন্তের কোনো অগ্রগতি আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অন্য দুইটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়া হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা করতে পারেনি। তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিশেষ কোনো মহল বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে অথবা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা কমে গেলে লঘুদণ্ড দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে বাঁচিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আমাদের জানাতে হবে। দৃশ্যমান কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা না গেলে নিপীড়িত শিক্ষার্থীর ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আবারো কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো আমরা। এ সময় নিপীড়নের সত্যতা পাওয়া গেলে অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে ফৌজদারি ব্যবস্থা ও এর সকল ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি ও মানসিক নিপীড়নের বাইরেও ‘ব্যক্তিগত আক্রোশে’ বিভাগটির ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় নাম্বার কম দেয়ার অভিযোগ উঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App