×

সারাদেশ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯০ শতাংশ

গরমে ভোগান্তিতে নাকাল শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

Icon

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : দেশের ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভুক্ত বিজ্ঞান বিভাগের (এ ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা হয়। গুচ্ছ আয়োজক কমিটি বলছে, সারাদেশে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল গড়ে ৯০ শতাংশ। তবে তীব্র গরমে নাকাল হতে হয়েছে লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। গরমে অসুস্থ হয়ে পরীক্ষা শেষ করতে না পারার ঘটনাও দেখা গেছে। পরীক্ষা শেষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সারাদেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে গুচ্ছের এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৯৪ দশমিক ২২ শতাংশ উপস্থিতির হার ছিল কিশোরগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সর্বনিম্ন উপস্থিতির হার ৭৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ ছিল রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গড় উপস্থিতি ৯০ শতাংশের উপরে। এছাড়া বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং পরীক্ষায় উপস্থিতির হারও ছিল সন্তোষজনক। এ ইউনিটের ফল ঘোষণা করা হবে আগামী ১ মে। এদিকে তীব্র গরমে সারাদেশেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। অভিভাবকরা সঙ্গে করে হাত পাখা আনেন। ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে গরমে যানজটের মুখেও পড়তে হয়। পল্টন থেকে সদরঘাটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে তীব্র যানজটের মুখোমুখি হতে হয়। তীব্র গরমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র ও ক্যাম্পাসের বাইরে অভিভাবকদের সবার জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে। ছিল ভ্রাম্যমাণ দুটি মেডিকেল টিম। এই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা সাজিদ হাসান আলিফ নামে এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পরীক্ষা শেষ করতে পারেনি। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির হার ৮৩ শতাংশ। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য সর্বত্র পানি, বসার জন্য চেয়ার ও ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়। উত্তরা থেকে আসা আল আমিন নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, খুব কম সময়ে উত্তরা থেকে পল্টনে চলে আসাতে পারলেও সদরঘাটে আসতে ২ ঘণ্টা লেগেছে। হাফিজুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক বলেন, গুলিস্তান থেকে মেয়েকে নিয়ে এই গরমে হেঁটে এসেছি। ট্রাফিক পুলিশকে আরো তৎপর হতে হবে। এদিকে গুচ্ছ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে মোহাম্মদপুরের একটি কলেজের শিক্ষার্থী ফাহাদ মোর্শেদ নাহিয়ান ভোরের কাগজকে বলেন, প্রশ্ন সব হিজিবিজি, একটির সঙ্গে আরেকটি লাগানো। রাফ করার জায়গা তো দূরের কথা, বোঝাই কঠিন। এছাড়া প্রশ্ন এক পৃষ্ঠা থেকে শুরু হয়ে আরেক পৃষ্ঠায় শেষ হয়েছে। বারবার পৃষ্ঠা উল্টিয়ে দেখতে হচ্ছে। প্রশ্ন কেমন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র একটু কঠিন হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App