×

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জ

অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচল ও পার্কিংয়ে অতিষ্ঠ পৌরবাসী

Icon

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

তোফাজ্জল হোসেন শিহাব, মুন্সীগঞ্জ থেকে : জেলা সদরে ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিকশাাসহ বিভিন্ন যানবাহনের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এসব যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলে অতিষ্ঠ ও অস্বস্তিতে পড়েছে পৌরবাসী। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে যানজট লেগেই থাকে। যেখানে সেখানে ছোট ছোট গাড়ির যত্রতত্র পাকিং যেন বিষফোঁড়া। পৌর শহরের ফুটপাতজুড়ে ভাসমান দোকান। এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। সিএনজি ও ব্যাটারি অটোরিকশার অস্থায়ী স্টান্ডের কারণে যানজট যেন স্থায়ী রূপ নিচ্ছে এখানে। সদরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে এমন চিত্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার রাস্তার দুপাশে একদিকে অটোস্টান্ড অন্যদিকে সিএনজি, রয়েছে অনেক দোকানও। যার কারণে রাস্তা অনেকটা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে বেড়েছে যানজট। শহরের কাঁচাবাজার, কাচারি এলাকা, হরেগঙ্গা কলেজ (পুলিশ সুপারের বাসভবন), সুপার মার্কেট, বাসস্টান্ড ফেরিঘাট, মুক্তারপুর স্টান্ড থেকে সেই সিপাহীপাড়া প্রতিটি পয়েন্টে যানজট লেগেই আছে হরহামেশা। তবে প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে অটোরিকশার পাশাপাশি সিএনজির দাপট বেশি। আবার কাঁচাবাজার, পৌরসভা ও শিল্পকলার সামনে অটো ও সিএনজির স্টান্ড। যার কারণে গাড়িগুলোকে ইউটার্ন নিতে বেগ পেতে হচ্ছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিএনজি ও অটোরিকশার স্টান্ড বন্ধ করা গেলে যানজট নিরসন অনেকটা হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে ভয়াবহ চিত্র কাঁচাবাজারেও। অভিযোগ করে আনোয়ার হোসেন নামে একব্যক্তি বলেন, এত গাড়ি কোথায় থেকে যেন আসে বুঝতে পারি না। রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশ যাব- তাও যেতে পারি না। একটার সঙ্গে একটা গাড়ি চলছে, এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। আইনজীবীরা জানান, সকালে সুপার মার্কেট এলাকা থেকে কাচারি আসতে ২০ মিনিট সময় লাগে। এতে কোর্টে যেতে আমাদের অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। সময় মতো কোর্টে যেতে না পারলেও আরেক সমস্যা। তাছাড়া দিন দিন যে পরিমাণ অটোরিকশার সংখ্যা বাড়ছে তাতে আমাদের হাঁটাচলাও দুষ্কর হয়ে পড়বে বলে আমরা মনে করি। এ ব্যাপারে ট্রাফিক বিভাগ (মুন্সীগঞ্জ) সূত্রে জানা যায়, যানজট নিরসনে আমরা সবসময় তৎপর। বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ রয়েছে। তাছাড়া অটোরিকশার সংখ্যা একটু বেড়েছে। যানজট নিরসনে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিন ভোরের কাগজকে জানান, বিষয়টি আমি বেশ কিছুদিন ধরেই লক্ষ্য করছি। তাছাড়া মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছি অল্প কিছু দিন হয়েছে। আশা করছি সবার সহযোগিতায় খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান করা হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App