×

সারাদেশ

হোসেনপুরে গরমের সঙ্গে বাড়ছে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন

Icon

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মোহাম্মদ জাকির হোসেন, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) থেকে : হোসেনপুরে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। রাতদিন ২৪ ঘণ্টার ২০ ঘণ্টাই বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের জনজীবন। এদিকে দিনের দীর্ঘসময় লোডশেডিংয়ের কারণে বিদ্যুৎবিহীন থাকলেও গ্রাহকদের বিল গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ পরিমাণ। হোসেনপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর এলাকায় মোট গ্রাহক রয়েছে ৫৫ হাজার। যার বিপরীতে চাহিদা রয়েছে ১৫ মেগাওয়াট, সেখানে বরাদ্দ পাচ্ছেন চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ মাত্র ৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে পৌর এলাকায়ই চাহিদা রয়েছে আড়াই থেকে পৌনে তিন মেগাওয়াট। উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকার জন্য ৬টি ফিডার রয়েছে, সরবরাহকৃত এ বিদ্যুৎ দিয়ে একসঙ্গে যে কোনো ২টি ফিডারের বেশি চালু রাখতে পারছেন না বিদ্যুৎসংশ্লিষ্ট সাবস্টেশন। যে কারণে বাধ্য হয়েই অন্য সব ফিডারগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। এর প্রভাবে পৌর এলাকায় লোডশেডিং কিছুটা কম হলেও গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের তীব্রতা অনেক বেশি। সিদলা ইউনিয়নের গড়মাছুয়া গ্রামের আব্দুস সালামের মতো অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, এমনিতেই অসহ্য গরম, এর মধ্যে আবার তীব্র লোডশেডিং। সারাদিন কৃষিকাজ করে শরীরে ক্লান্তি আসলেও একটু স্বস্তিতে ঘুমাইতে পারি না গরমের কারণে। আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের জামাইল গ্রামের শামীম আহমেদ জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে রাখা মাছ মাংস সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মনে হয় আমরা মানুষই না। লোডশেডিংয়ের বিষয়ে হোসেনপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, কয়েকদিন ধরে গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া অনেক সময় গ্রিড থেকে যখন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তখন আমাদের আর কিছুই থাকে না। চাহিদা ১৫ মেগাওয়াট হলেও গ্রিড থেকে এখন আমরা ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাই। যেজন্য লোডশেডিং ছাড়া উপায় নেই।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App