×

খেলা

মাহমুদউল্লাহকে আউট দেয়া সেই বল ডেড নাকি ৪, আইন কী বলছে?

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৩:৫৩ পিএম

মাহমুদউল্লাহকে আউট দেয়া সেই বল ডেড নাকি ৪, আইন কী বলছে?

ছবি সংগৃহীত

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তীরে এসে তরী ডুবিয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ৪ রানে হেরে গিয়েছে টাইগাররা। এতে ব্যাটিং ব্যর্থতা ছাপিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে দুষছেন মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ সাবেক ক্রিকেটাররা।

ম্যাচের শেষদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ স্ট্রাইকে ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবার টি-টোয়েন্টিতে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। লো-স্কোরিং ম্যাচে জয়ের জন্য পরিস্থিতি তখনও টাইগারদের নাগালে ছিল। ওটনিয়েল বার্টম্যানের ফুল লেন্থের বলটা লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে চলে যাচ্ছিল। তবে কিছুটা সরে আসা মাহমুদউল্লাহর প্যাড ছুঁয়ে যায় সেটি।

বোলিং দলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খানিকটা দ্বিধা নিয়েই আঙুল তুলেছিলেন অনফিল্ড আম্পায়ার স্যাম নোগাস্কি। তিনি যখন আঙুল তুলছেন আউটের, ততক্ষণে বল সীমানাছাড়া। মাহমুদউল্লাহ রিভিউ নিয়েছেন, তাতে সিদ্ধান্তও বদলেছে। কিন্তু লেগবাই থেকে ৪ রান বাংলাদেশের স্কোরকার্ডে যুক্ত হয়নি। নোগাস্কি বলটিকে ডেড বল ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরেছে ওই ৪ রানেই। হারের কারণ হিসেবে আম্পায়ার স্যাম নোগাস্কিকেই দুষছেন দেশের ক্রিকেটভক্তরা। সাবেক ক্রিকেটারদের মুখেও আম্পায়ারিংয়ের সমালোচনা।

আম্পায়ারদের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে না গেলে হয়তো ম্যাচটা বেশ ভালোভাবেই জিততে পারতো বাংলাদেশ। এমন হারে তাই টাইগার্স ভক্তদের হৃদয় ভেঙেছে। যা অনুভব করতে পারছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে তিনি লিখেছেন, মাহমুদউল্লাহকে ভুলভাবে এলবিডব্লিউ আউট দেয়া হলো। অথচ বলটি লেগ বাইতে ৪ হতে পারতো। ডিআরএসে সিদ্ধান্ত পাল্টে গেলো। কিন্তু বল ডেড হওয়ায় বাংলাদেশ ৪ রান পেলো না। আর দক্ষিণ আফ্রিকাও শেষ পর্যন্ত ৪ রানে জিততো। বাংলাদেশ ভক্তদের এই অনুভূতি আমি বুঝতে পারছি।’

যদিও ডেড বল সংক্রান্ত ক্রিকেটের আইন আম্পায়ারের পক্ষেই কথা বলছে। ক্রিকেটের ২০.২ ধারায় পরিষ্কার বলা আছে, ম্যাচে ‘ডেড বল’ নির্ধারণের ক্ষমতা শুধুই আম্পায়ারের, ‘বল শেষ পর্যন্ত মীমাংসা (ওই ডেলিভারির খেলা) হয়েছে কি না, তা সিদ্ধান্ত নেবেন আম্পায়ার।’

প্রাসঙ্গিক আরেকটি ধারায় (২০.১.১.১) বলা হয়েছে, বল তখনই ‘ডেড’ হবে, ‘যখন তা উইকেটরক্ষক কিংবা বোলারের হাতে জমা পড়বে।’
সেই ধারায় আরও বলা হয়েছে, ‘বোলিং প্রান্তের আম্পায়ার যখন বুঝতে পারবেন, ফিল্ডিং দল ও ব্যাটসম্যানদের খেলা থেমেছে, তখনই সেটা ডেড বল।’

এছাড়া বাংলাদেশের বিপক্ষে যেতে পারে ২০.১.১.৩ ধারাও। যেখানে বলা হয়েছে, যে মুহূর্তে বলের সাপেক্ষে আউটের সিদ্ধান্ত আসবে, সেই মুহূর্ত থেকে এটি ডেড বল ঘোষণা করা হবে। যার অর্থ, আম্পায়ার স্যাম নোগাস্কি, বার্টম্যানের আবেদনে আঙুল তোলার পর থেকেই সেটি ডেড বলই ছিল।

টাইমলাইন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App