নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে গুমোট হয়ে ওঠে ঢামেক প্রাঙ্গণ : বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

আগের সংবাদ

দায়ীরা পার পেয়ে যায় যেভাবে

পরের সংবাদ

তালায় রেইনওয়াটার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৪ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৪ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কিশোর কুমার, তালা (সাতক্ষীরা) থেকে : তালা উপজেলায় রেইনওয়াটার হারডেস্টিং প্রকল্পে (আরডব্লিউএইচ) অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকপ্রতি বরাদ্দ ৫০ হাজার টাকা হলেও নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শেষ হচ্ছে মাত্র ২৫-৩০ হাজার টাকায়। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী কোশিক রায়ের মদদে ও ম্যাকানিক (ডিপিএইচই) শেখ রেজাউল করিমের সহযোগিতায় মেসার্স কামাল এন্টারপ্রাইজ নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাতিয়ে নিচ্ছে কয়েক কোটি টাকা। এই টাকার বড় একটা অংশ যাচ্ছে প্রকৌশলীর পকেটে। সরজমিন গেলে বালিয়দাহ গ্রামের ইসরাফিল শেখ নাসির, গোলদার মাদরা গ্রামের শিক্ষক অমরকৃষ্ণ, খলিশখালী ইউনিয়নের শুকতিয়া গ্রামের হরসিত মন্ডলসহ অনেকে জানান, সরকারি কোষাগারে ১৫০০ টাকা জমা নেয়ার পরে ৩৫০টি ইট দেয়ার কথা থাকলেও নি¤œমানের ২৯০টি এবং নি¤œমানের খোয়া দিয়ে যেনতেনভাবে কাজ শেষ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তারা কোনো কর্নপাত করেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক সাবঠিকাদার জানান, বর্তমানে তালা উপজেলার, খেরশা মাগুরা, জালালপুর খলিষখালী খলিল নগরে প্রকল্পটির ২,৩২০টি কাজ চলমান রয়েছে। এতে মোট বরাদ্ধ রয়েছে ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকার বেশি। গ্রাহকপ্রতি ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্পটিতে সর্বোচ্চ মানের ৩৫০টি ইট ৫ ফুট খোয়া ও ২০ ফুট বালি দেয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু নি¤œমানের ইট বালি ও খোয়া ব্যবহার করে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় কাজ শেষ করছে ঠিকাদার। আর এই টাকা ভাগবটোয়ারা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের মধ্যে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করলেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান সাব ঠিকাদার। বিষয়টি নিয়ে কামাল এন্টারপ্রাইজের সাবঠিকাদার আলমগীর হোসেনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের প্রকল্পের কোনো ইট খারাপ হলে সেটা পরিবর্তন করা হবে। প্রকল্পের মান নিয়ে প্রশ্নœ তুললে তিনি বলেন, সব জায়গায় ভালোমানের ইট দেয়া হচ্ছে। ভুলক্রমে নি¤œমানের সামগ্রী দেয়া হলেও সেটা দেখছি কি করা যায়। তালা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী কোশিক রায় বলেন, প্রকল্পে কোনো অনিময় হলে সেটা খতিয়ে দেখছি। কোথাও কোনো নি¤œমানের সামগ্রী থাকলে সেটি পরিবর্তন করা হবে।
উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার (সহকারী কমিশনার ভূমি) আরাফাত হোসেন বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়