×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

সত্যিই কি বাংলায় বলতে চাই?

Icon

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সত্যিই কি বাংলায় বলতে চাই?
১০ মার্চ ১৯৪৭। বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য অমূল্যচন্দ্র অধিকারী ইংরেজি না বাংলায় বলবেন এই বিতর্কের একপর্যায়ে খোলামেলাই বললেন, ‘স্পিকার মহোদয় আমি বাংলায় বলতে চাই’। অপর সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ বাংলায় বলার একটি বাস্তব সমস্যা ইংরেজিতে তুলে ধরলেন। তিনি বললেন, বিতর্ক যারা লিপিবদ্ধ করেন তাদের ইংরেজি শর্টহ্যান্ড জানা; কাজেই বাংলায় বললে তাদের অসুবিধা হবে এবং সব কথা তারা টুকে রাখতে পারবেন না। স্পিকার আইনের কথা বললেন। বঙ্গীয় আইনসভা পরিচালিত হয় ১৯৩৫-এর ভারত শাসন আইনে। সে আইনে স্পষ্টভাবেই বলা হয়েছে যাবতীয় সংসদীয় কার্যক্রম পবিচালিত হবে ইংরেজিতে। অমূল্যচন্দ্র অধিকারী বললেন, আমার ইংরেজি বলতে যথেষ্ট অসুবিধা হয়। স্পিকার বললেন, উইল ইউ কাইন্ডলি স্পিক ইন ইংলিশ? এবার সদস্য বললেন যে, ইংরেজিতে বলতে তার অনেক সমস্যা হচ্ছে। ইংরেজিতে আমি আমার মনোভাব প্রকাশ করতে পারি না। কাজেই তাকে বাংলায় বলার অনুমতি দেওয়া যায়। তিনি আবারও প্রত্যাখ্যাত হলে সদস্য নীহারেন্দু দত্ত মজুমদার বাংলায় বললেন : কি স্পিকার মহোদয়, আমার সামান্য একটা নিবেদন আছে। ১৯৪৮ সালের জুন মাসে ইংরেজরা ভারতবর্ষ থেকে চলে যাচ্ছে। আমার নিবেদনটা যদি শোনেন তাহলে বিশেষ কৃতজ্ঞ হই। স্পিকার তার নিবেদন শোনেননি। তিনি পুনরায় ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের দোহাই দিলেন। নীহারেন্দু দত্ত মজুমদার বললেন, স্পিকার মহোদয় এটা ঠিক কথা (অর্থাৎ ভারত শাসন আইনে ইংরেজিতে বলার নির্দেশই দিয়েছে)। কিন্তু এখন ইংরেজরা ভারতবর্ষ থেকে চলে যাচ্ছে। ১৯৩৫ সালে তারা ভারতবর্ষ ত্যাগ করে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেনি। কিন্তু আজ যখন ইংরেজরা ভারতবর্ষ থেকে চলে যাওয়ার একটা তারিখ নির্ধারণ করেছে, তখন আমরা ইংরেজি বলব কাদের জন্য। সুতরাং এখন যদি একটু কৃপা করে অনুমতি দেন, তাহলে আমার নিবেদনটা একটু জানাই। স্পিকার কৃপা করেননি। ততক্ষণে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ফ্লোর নিয়ে স্পিকারকে বললেন, আপনিও বাংলায় বলতে আরম্ভ করুন। স্পিকার তখনই বাংলা বলতে আরম্ভ করেননি। তার সামনে ভারত শাসন আইন ১৯৩৫-এর ৮৫ অনুচ্ছেদ। আইন ভেঙে তিনি তো আর আইনসভার অমর্যাদা করতে পারেন না। সেই স্পিকারের নাম নুরুল আমিন। ভাষার জন্য আরো ১১ প্রাণ ১৯৬১-তে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দেয়া তরুণের সংখ্যা ১৯৫২-র ভাষা শহীদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়। সেই এগার জনকে নিয়ে শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর কবিতা : দশটি ভাই আর একটি পারুল বোন কলজে ছিঁড়ে লিখেছিল ঐ যে ঈশান কোণ- কোন ভাষাতে হাসে-কাঁদে কান পেতে তা শোন শুনলি না? তো একার এসে কুচক্রীদের ছা- তিরিশ লাখের কণ্ঠভেদী আওয়াজ শুনে যা- বাংলা আমার মাতৃভাষা ঈশান বাংলা মা। সেই এগারজনের বোনটির নাম কমলা ভট্টাচার্য। নিহত ভাইয়েরা হচ্ছেন : শচীন্দ্র পাল, হিতেশ বিশ্বাস, সুকোমল পুরকায়স্থ, কুমুদ দেব, সত্যেন্দ্র দেব, কানাইলাল নিয়োগী, চন্ডীচরণ সূত্রধর, ধীরেন্দ্র সূত্রধর, তরনী দেবনাথ এবং সুনীল সরকার। যখন আসামের বাঙালিদের প্রান্তে ঠেলে দেয়ার জন্য আসামিরা অহমিয়া ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম ঘোষণা করে, তখন বাঙ্গালিরা বিক্ষুব্ধ হয়। শিলচর ট্রেন স্টেশনের পাশে তাদের প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে ঝরে পড়ে ১১টি জীবন। ভাষার জন্য এক সঙ্গে এতগুলো জীবনহানি পৃথিবীর কোথাও ঘটেনি। দাপ্তরিক ভাষা ১৭৮টি দেশে কমপক্ষে একটি দাপ্তরিক ভাষা রয়েছে। ১০১টি দেশে দাপ্তরিক ভাষা একাধিক। ৬৭টি দেশে ইংরেজি দাপ্তরিক ভাষা, যার অধিকাংশ দেশের নাগরিকদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়। বহুল স্বীকৃত ৪টি দাপ্তরিক ভাষার মধ্যে ইংরেজি ছাড়াও রয়েছে ফ্রেঞ্চ, আরবি এবং স্প্যানিশ। দাপ্তরিক ভাষার ধারণাটি রাজনৈতিক এবং আড়াই হাজার বছরের পুরনো খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দের কাছাকাছি সময়ে সম্রাট দানিউস যখন মেসোপটোমিয়াকে পারস্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন, রাজকীয় আরামায়িক বা দাপ্তরিক আরামায়িক নাম দিয়ে আরামায়িক ভাষার একটি সংস্করণকে যোগাযোগের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেন। এই প্রতিষ্ঠা ঘটল ফরমানের মাধ্যমে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি দাপ্তরিক ভাষা বলিভিয়াতে ৩৭টি; দ্বিতীয় স্থানে ২৩টি ভাষা নিয়ে ভারতের অবস্থান। বাংলা বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অনুচ্ছেদে বাংলাকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা হয়েছে; ১৯৮৭ সালের বাংলা ভাষা প্রচলন আইনে রাষ্ট্রীয় কাজে বাংলা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা জারি করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপতি জারিকৃত একটি নির্বাহী আদেশ উল্লেখ করা সমীচীন : ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। বাংলা আমাদের জাতীয় ভাষা। তবুও অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, স্বাধীনতার তিন বছর পরও অধিকাংশ অফিস আদালতে মাতৃভাষার পরিবর্তে বিজাতীয় ইংরেজি ভাষায় নথিপত্র লেখা হচ্ছে। মাতৃভাষার প্রতি যার ভালোবাসা নেই দেশের প্রতি তার ভালোবাসা আছে এ কথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। দীর্ঘ তিন বছর অপেক্ষার পরও বাংলাদেশের বাঙালি কর্মচারীরা ইংরেজি ভাষায় নথি লিখবেন এটা অসহনীয়। এ সম্পর্কে আমার পূর্ববর্তী নির্দেশ সত্ত্বেও এ ধরনের অনিয়ম চলছে। আর এ উচ্ছৃঙ্খলতা চলতে দেয়া যেতে পারে না। এই আদেশ জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও আধাসরকারি অফিসে কেবলমাত্র বাংলার মাধ্যমে নথিপত্র ও চিঠিপত্র লেখা হবে। এ বিষয়ে কোনো অন্যথা হলে উক্ত বিধি লঙ্ঘনকারীকে আইনানুগ শাস্তি দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন অফিস আদালতের কর্তাব্যক্তিরা সতর্কতার সঙ্গে এ আদেশ কার্যকরী করবেন এবং আদেশ লঙ্ঘনকারীদের শাস্তির বিধান ব্যবস্থা করবেন।’ এ আদেশে সরকারি অফিসে নিম্ন আদালতে বাংলার ব্যবহার বেড়েছে, কিন্তু চাকরির বাজারে বাংলা জানা প্রার্থীর কদর একটুও বাড়েনি। এখানেও বাংলাবান্ধব একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। বাংলা যদি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হয় ২১ ফেব্রুয়ারি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন যে আগুন ছড়িয়েছিল, তা এনে দিয়েছিল স্বাধীনতা। মাতৃভাষা আন্দোলনের অগ্নিঝরা দিনগুলো পেরোবার পর ভাষার সম্ভাবনা ও সংকট আরো স্পষ্ট হয়ে উঠে। নব্বইয়ের দশকে এসে দাবি উঠেছিল বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করা হোক। ২০১০ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় এ দাবি আরো বেশি শোনা যেত। কিন্তু বাংলা যদি সত্যিই জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হয়, আমরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যাব না তো? বইমেলায় আসা-যাওয়ার পথে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের কাছাকাছি এলে মাইক্রোফোন থেকে ভরাট কণ্ঠের আওয়াজে যা শোনা যায়, তার সারমর্ম : বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবিতে পাঁচ কোটি মানুষের স্বাক্ষর নিয়ে একটি আবেদন জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বিশ্বের সব দেশের সরকারপ্রধানকে দেয়া হবে। গণদাবির ইতিহাসে এটাই হবে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের স্বাক্ষরিত দাবি। অত্যন্ত শুভ উদ্যোগ; অত্যন্ত প্রিয় দাবি, অন্তত তাত্ত্বিকভাবে হলেও প্রাণের দাবি। মূল আবেদনটি নিশ্চয়ই জাতিসংঘের মহাসচিব পাবেন, অন্যরা অনুলিপি। কাগজের প্রতি পৃষ্ঠায় যদি ১০০ জনের স্বাক্ষর গ্রহণ করা সম্ভব হয় (চিঠিপত্রের প্রকৃত আকার এ-ফোর সাইজের কাগজ), উভয় পৃষ্ঠাই যদি কাজে লাগানো হয়, তাহলে পাঁচ কোটি স্বাক্ষরের জন্য দুই লাখ ৫০ হাজার শিট কাগজের প্রয়োজন হবে এবং প্রতিটি খণ্ডের যদি ৫০০ পৃষ্ঠা থাকে, সব স্বাক্ষর মলাটবদ্ধ করতে ৫০০ খণ্ড স্বাক্ষরগ্রন্থের প্রয়োজন হবে। একটি আবেদনের সঙ্গে ৫০০ খণ্ড স্বাক্ষর সংযোজনী নিঃসন্দেহে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেবে, এবার বাংলাদেশের নাম বিশ্বরেকর্ডধারীর খাতায় না তুলে উপায় নেই। ভালো দিকটা হচ্ছে, আবেদনটি ভাষার জন্য। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার আগেই একটি বড় প্রাপ্তি গিনেসের খাতায় নাম ওঠানো। আর আবেদন মঞ্জুর হয়ে গেলে তো আনন্দের সীমা থাকবে না। জাতিসংঘই হয়তো মূল আবেদনটি গিনেস জাদুঘরকে দিয়ে দেবে। যাদের কাছে আবেদনের অনুলিপি দেয়া হবে, তারা স্বাক্ষরের এতগুলো ফটোকপি পেলে বিব্রত হবেন, কাজেই উদ্যোক্তারা নিশ্চয়ই ডিজিটাল কপির কথাই মাথায় রেখেছেন। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি : ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানীয়, রুশ, চীনা ও আরবি। আরবি ছাড়া বাকি পাঁচটি একেবারে শুরু থেকেই অন্তর্ভুক্ত। নিত্যকার কাজের ভাষা শুরুতে দুটি, ইংরেজি ও ফরাসি। ১৯৪৮ সালে এর সঙ্গে যোগ হলো স্প্যানিশ, ১৯৬৮ সালে রুশ, ১৯৭৩ সালে চীনা এবং ১৯৮০ সালে আরবি। ১৯৮৩ সালে এসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃত দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি। নিত্যকার কাজের ভাষাও ছয়টি। জনসংখ্যার বিবেচনায় বাংলার জন্য দাবি পেশ করা অন্যায্য নয়। জাতিসংঘের ভাষা হওয়ার প্রকাশ্য দাবিদার ভাষার মধ্যে বাংলা ছাড়াও রয়েছে হিন্দি, উর্দু, পর্তুগিজ ও এসপারেন্তো। প্রতিযোগিতায় হিন্দি এগিয়ে থাকার কথা হলেও অ্যান্টি-হিন্দি লবি হিন্দিকে জাতিসংঘের নিজস্ব ভাষায় তালিকাভুক্ত না করার আবেদনও জানিয়েছে। কারণ : ১. হিন্দি জাতিসংঘের ভাষা হলে ভারত সরকার মাথায় উঠে যাবে এবং আরও বিক্রমের সঙ্গে অহিন্দি রাজ্যগুলোতে হিন্দি চাপিয়ে দেবে। ২. হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার পরই কেবল রাজ্যগুলো এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সুপারিশ রাখতে পারে। ৩. হিন্দিকে বিলিয়ন মানুষের ভাষা বলে জাতিসংঘকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে, এ সংখ্যা কেবল ৩০০ মিলিয়ন। ৪. তামিলনাড়ু রাজ্য হিন্দিকে কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসিয়াল ভাষা ঘোষণা চ্যালেঞ্জ করে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। ৫. হিন্দি আরো সুযোগ পেলে ভারতে ভাষাভিত্তিক বৈষম্য বেড়ে যাবে। ৬. অহিন্দিভাষী রাজ্যগুলোর দাবি ভারত সরকার হিন্দির বিষয়টি আগে গণভোটে দিক। গণভোটের ফলাফলের ওপর হিন্দির ভাগ্য ছেড়ে দেয়া হোক। একইভাবে উর্দুরও বিরোধিতা করছে স্বদেশি অন্যান্য ভাষাগোষ্ঠী (বিশেষ করে, সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা পাঞ্জাবি দাবি ছাড়বে কেন?)। বাংলাদেশ বড় সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। বাংলাদেশের ভেতর থেকে বাংলার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর আদায় করে বাংলা ভাষার জাতিসংঘ-বিজয় ঠেকানোর দুঃসাহস, আশা করা যায় কেউ দেখাবেন না। বাংলার জন্য চাপ অব্যাহত রাখলে, আন্তর্জাতিক লবিস্টরা ঠিকভাবে বাংলার পক্ষে থাকলে এ দেশের ভাষা জাতিসংঘে হরদম উচ্চারিত হওয়া হয়তো সময়ের ব্যাপার। আশঙ্কার কথা, বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা বাংলা কিছুটা বুঝলেও পরের প্রজন্মের প্রায় সবাই বাংলা বুঝতে, পড়তে, লিখতে ও বলতে পারবে না। ভাষার র‌্যাঙ্কিংয়ে তাদের সবচেয়ে প্রিয় ভাষা ইংরেজি, তারপর হিন্দি এবং তারপর আরবি। জাতিসংঘের বাংলা কার্যক্রম বুঝতে তাদের কারও হিন্দি দোভাষীর দরকার হচ্ছে, হেডফোনে কেউ বক্তৃতার ইংরেজি কিংবা আরবি ভাষান্তর শুনছে। যে পাঁচ কোটি বাঙালির স্বাক্ষর দাবিনামায় থাকবে, তাদের সন্তানেরা বাংলা বলতে, পড়তে ও লিখতে পারে তো? নয়তো বাংলা জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হয়ে গেলে আমরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যেতে পারি। বাঙালির সন্তানকে বাংলা ভাষা বোঝানোর জন্য তর্জমাকারী রাখতে হবে। ড. এম এ মোমেন : সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App