র‌্যাব মহাপরিচালক : নাশকতার তথ্য নেই তবুও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছি

আগের সংবাদ

বাংলাদেশের গর্ব, বিশ্বের বিস্ময় : জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে যেভাবে ডানা মেলল স্বপ্নের পদ্মা

পরের সংবাদ

বিপদেই বন্ধুর পরিচয়! পাকিস্তানের অর্থনীতি উদ্ধারে চীনের ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৪, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ ডেস্ক : পাকিস্তানে অর্থনৈতিক সংকট বাড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে ক্রমেই কমছে রিজার্ভ, কমছে নিজস্ব মুদ্রার মানও। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতি বাঁচাতে ইসলামাবাদকে ২৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ হিসেবে দিচ্ছে চীন। সূত্রে প্রকাশ, একটি ঋণ চুক্তির অধীনে ‘কয়েক দিনের মধ্যে’ চীনের কাছ থেকে বিপুল এই অর্থ হাতে পাবে পাকিস্তান। গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই।
পাকিস্তানের প্রধান সারির সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের বরাত দিয়ে ভারতীয় এই বার্তা সংস্থাটি জানায়, চীনের একাধিক ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম এবং পাকিস্তান আগেই ২.৩ বিলিয়ন বা ২৩০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি ঋণ সুবিধা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। চুক্তির সর্বশেষ আপডেটে গত বুধবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল জানান, ঋণ চুক্তির অধীনে চীন থেকে নগদ এই অর্থপ্রবাহ কয়েক দিনের মধ্যেই চলে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। টুইটারে দেয়া এক বার্তায় মিফতাহ বলেন, চীনা ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম আজকে ১,৫০০ কোটি আরএমবি (চীনা মুদ্রা) ঋণ সুবিধা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাকিস্তান এতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করে গতকাল। কয়েকদিনের মধ্যেই নগদ অর্থ হাতে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই লেনদেন সহজতর করার জন্য আমরা চীনা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিও চীনকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং চীনের জনগণের প্রতি (পাকিস্তান) কৃতজ্ঞ। চীনা কনসোর্টিয়াম অব ব্যাংক ১,৫০০ কোটি আরএমবি ঋণ সুবিধা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চীন আমাদের সবসময়ের বন্ধু এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে অব্যাহত সমর্থনের জন্য পাকিস্তানের জনগণ কৃতজ্ঞ। পাকিস্তানের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থা খুবই খারাপ জায়গায় এসে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের মুদ্রার মূল্যও ভয়ংকরভাবে কমে গেছে। এই সংকট থেকে উদ্ধার করতে চীনের একাধিক ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম ইসলামাবাদকে ২৩০ কোটি মার্কিন ডলার দিচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, গত ১০ জুনের হিসেব অনুযায়ী, পাকিস্তানের স্টেট ব্যাংকের কাছে ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার আছে, তা দিয়ে মাত্র ছয় সপ্তাহের আমদানির খরচ মেটানো সম্ভব। তাই চীনের থেকে ২৩০ কোটি ডলার পাওয়া পাকিস্তানের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গেও পাকিস্তানের আলোচনা চলছে। গত বুধবার রাতে আইএমএফ ও পাকিস্তান ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। সেখানে কীভাবে খরচ কমানো হবে এবং আয় বাড়ানো হবে, তা নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছে উভয় পক্ষই। দ্য ডন জানায়, সমঝোতা অনুযায়ী প্রতি মাসে পাঁচ রুপি করে পেট্রোলিয়াম লেভি বসানো হবে। ১০ মাস লেভি বলবৎ থাকবে। কর আদায়ের টার্গেট করা হয়েছে ৪২ হাজার ২০০ কোটি রুপি। অতিরিক্ত বেতন ও পেনশনের জন্য যে তহবিল রাখা হয়েছিল, সেটা বন্ধ করা হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়