র‌্যাব মহাপরিচালক : নাশকতার তথ্য নেই তবুও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছি

আগের সংবাদ

বাংলাদেশের গর্ব, বিশ্বের বিস্ময় : জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে যেভাবে ডানা মেলল স্বপ্নের পদ্মা

পরের সংবাদ

দুই মেয়ে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ মায়ের : এক মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৪, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কাপাসিয়ায় দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন মা। ঘটনার তিনদিন পর পলাশ উপজেলায় শীতলক্ষ্যা থেকে ভাসমান অবস্থায় এক মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। গত বুধবার রাতে উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার নিজাম উদ্দিন ঘাট থেকে মুর্শিদা আক্তার (৭) নামে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেন মাধবদীর বঙ্গারচর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। মা আরিফা আক্তারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি এখনো।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার নিজাম উদ্দিন ঘাটে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে নৌ-পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। গত রবিবার দুপুরে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সিংহশ্রী ইউনিয়ন এলাকায় দুই মেয়েকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন আরিফা আক্তার নামে ওই মা। পরে স্থানীয়রা তাহমিদা আক্তার (৯) নামে এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ ছিলেন মা আরিফা ও ছোট মেয়ে মুর্শিদা আক্তার। সে সময় কাপাসিয়ার ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুই দিনব্যাপী উদ্ধার কাজ চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। তবে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা শিশু তাহমিদাকে (৯) নদী থেকে জীবিত উদ্ধার করেছিল। উদ্ধার হওয়া শিশু জানিয়েছিল নদীতে মায়ের ঝাঁপ দেয়ার কথা।
তাহমিদার মামা হেদায়েত উল্লাহ বলেন, আমার বোন আরিফা আক্তারের বিয়ে হয়েছিল নারায়ণগঞ্জে। সেখানে দুই মেয়ে হওয়ার কয়েক বছর পর তার স্বামী মারা যায়। এরপর থেকেই সে কাপাসিয়ায় বাবার বাড়ি চলে আসে। কিন্তু ধীরে ধীরে সে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। অনেক সময় তাকে শিকলবন্দি করেও রাখতে হতো।
তিনি আরো বলেন, উদ্ধার ভাগনির কাছ থেকে শুনেছি, সকালে তাদের মা জুতা ও জামা-কাপড় কিনে দেয়ার কথা বলে বাজারের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে পৌঁছে তাদের নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেয়। তবে মায়ের হাত ফসকে গেলে তাহমিদা নদীতে থাকা একটি বাঁশের মাচা ধরে ভেসে থাকে। পরে স্থানীয় জেলেরা তাকে উদ্ধার করে।
বঙ্গারচর নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোহাম্মদ আমিরুল সিকদার জানান, মুর্শিদা আক্তারের মরদেহ তার আত্মীয়স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়