প্রজ্ঞাপন জারি : সরকারি-বেসরকারি অফিস অর্ধেক জনবলে আজ থেকে

আগের সংবাদ

বৈধ লবিস্টের প্রশ্নবিদ্ধ ব্যবহার : বিএনপি-আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ > ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের

পরের সংবাদ

গ্রাম ও শহরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষায় ক্রমাবনতির পরিণতি?

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৯০২টি। ২০১৯ সালের তথ্যানুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। অবশ্য ২০২০ সালে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ২০২১ সালে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০১৭ সালের তথ্যানুযায়ী প্রাক-প্রাথমিকসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ৯ লাখ ১৯ হাজার ২০১ জন। ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রাথমিক শিক্ষায় সরকার ২৬ হাজার ৩১১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। আগের বছর অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বরাদ্দ প্রতি বছর আনুপাতিক হারেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বরাদ্দ আরো বৃদ্ধি করে যদি দেশের প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং মান বৃদ্ধি করা যেত তাহলে দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় অবশ্যই বড় ধরনের পরিবর্তন আশা করা সম্ভব হতো। বিশেষত গ্রামীণ এবং শহুরে নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতো। কিন্তু বিগত এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করলে যে বিষয়টি আমাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। অথচ এখন সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগসহ নানা ধরনের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করছে। এমনকি সরকারি প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ বছরে ৪০ হাজার টাকা করে দেয়া হচ্ছে। ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান তদারকির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের সবাই সবেতনে পিটিআই প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়াও নিয়মিত নানা ধরনের সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ লাভ করে থাকেন। এসব সুযোগ-সুবিধা আরো বৃদ্ধি করে যদি প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধি করা যেত তাহলে আমরা খুশি হতাম।
দেশে সব শিশুকেই বাধ্যতামূলক মানসম্মত প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষার আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, পৃথিবী জ্ঞানবিজ্ঞান, নানা পেশা, প্রযুক্তি ও বৃত্তিমূলক কাজে দ্রুত বদলে যাচ্ছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা দেশকে অর্জন করতে হলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সাধন করতে হবে- এতে কোনো ধরনের শিথিলতা প্রদর্শনের সুযোগ নেই। তাছাড়া পৃথিবী এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। সেখানে মানুষের বেঁচে থাকা ও টিকে থাকার অন্যতম শর্ত হবে শিক্ষা, জ্ঞানবিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উৎপাদনশীলতা। উদ্ভাবনশীলতা এবং কর্মদক্ষতায় মানুষকে প্রতিনিয়ত খাপ খাওয়াইয়ে নিতেই হবে। অন্যথায় বেকার জীবনযাপন করেও বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না। এসব পরিবর্তন সাধনের জন্য জ্ঞান ও প্রযুক্তি দক্ষতায় প্রতিটি শিশুকে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। এমন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি আমরা যখন এরই মধ্যে অবস্থান করছি তখন গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনা সংক্রমণে একদিকে অর্থনীতি ও সমাজ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অভিঘাত সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘ সময় ধরে চলছে বন্ধ্যা এবং সংক্ষিপ্ত আকারে লেখাপড়ায় যুক্ত থাকার একটি কষ্টসাধ্যকর ব্যবস্থা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে গত দুবছরে শিক্ষা কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ বা স্থবির হয়ে আছে। ফলে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় আমাদের শিশু-কিশোরদের শিক্ষার প্রস্তুতি ভয়ানক রকম ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই অবস্থায় বর্তমান ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে মাঠের বাস্তবতা পর্যবেক্ষণপূর্বক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অনেক আগে থেকেই শহরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো প্রশাসনের নাকের ডগার ওপর থাকার পরও খুব একটা নজরদারিতে ছিল না। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচিতি পেতে থাকে অবহেলিত ও গরিব শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়রূপে। সেগুলোতে এমনকি নিম্ন-মধ্যবিত্তের শিক্ষার্থীরাও খুব একটা ভর্তি হতে দেখা যায়নি। অথচ শহরাঞ্চলে বিভিন্ন ভাড়াবাড়িতে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের দিয়ে নানা ধরনের কেজি স্কুল খোলা হতে থাকে। কোনো কোনো কেজি স্কুল এলাকাভিত্তিক পরিচিতিও লাভ করেছে। অথচ পাশেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোনো খোঁজ কেউ নেয়নি। বেশিরভাগ কেজি স্কুলের নেই কোনো অনুমোদন, কারিকুলামভিত্তিক পঠনপাঠন, প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের সম্মানজনক বেতনভাতা, শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ কিংবা সহশিক্ষাক্রম। তারপরও অভিভাবকদের দৃষ্টি এসব বাহারি নামের কেজি স্কুল অনেক আগে থেকেই আকর্ষণ করতে পেরেছিল, অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন সরকারি নিয়মে নির্ধারিত রয়েছে। বিদ্যালয়ের ছোটখাটো মাঠও রয়েছে। কিন্তু তদারকির অভাবে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই অভিভাবকদের মন জয় করতে পারেনি। এই বাস্তবতা শহরগুলোতে কয়েক দশক ধরে বিরাজ করছে। অবশ্য কিছু কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যতিক্রম হতে দেখা গেছে। সেটি নির্ভর করেছে প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকের কর্ম তৎপরতার ওপর। কিন্তু শহরাঞ্চলে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ই তো অভিভাবকদের নজরকাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার বাস্তবতা ছিল। সেই বাস্তবতা সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত হয়েছে, কারো কোনো শাস্তি হতে দেখা যায়নি, প্রশাসনকেও এ ব্যাপারে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়নি। ফলে শহরাঞ্চলের বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুরুত্ব হারিয়েছে অভিভাবকদের কাছে। এই অধিকার কি রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কারো রয়েছে?
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রামাঞ্চলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওপর শহরের অবহেলিত অবস্থার ছাপ পড়তে দেখা যাচ্ছে। ব্যতিক্রম হয়তো কিছু আছে। তবে বেশিরভাগ এলাকাতেই এখন যেসব প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিণতি শহরের বিদ্যালয়গুলোর মতো অপেক্ষাকৃত ‘দরিদ্রদের’ বিদ্যালয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের অভিভাবকদের মধ্যে যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল তারা সন্তানদের নামিদামি স্কুলে পড়াতে প্রয়োজনে নিকটবর্তী উপজেলা বা জেলা শহরে থাকার ব্যবস্থা করছেন। সেখানে পরিচিত কেজি স্কুলের দিকে তাদের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলেও এখন নানা ধরনের কেজি স্কুল অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব স্কুলে শহরের নামিদামি কেজি স্কুলের অনুসরণে নানা ধরনের বই পুস্তক, খাতা কলম, স্কুল ড্রেস, ব্যাগভর্তি বইখাতা দিয়ে অভিভাবকদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। আর্থিক সচ্ছলতা যাদের রয়েছে তাদের ছেলেমেয়েরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেড়ে এসব বাহারি কেজি স্কুলে শহরের মতো পরিপাটি হয়ে পড়তে যাচ্ছে। অভিভাবকরা বাহ্যিক দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে কিছুটা আভিজাত্য বোধ করেন। ছেলেমেয়েরা ইংরেজি কিংবা বাড়তি বই পড়ে এমন পরিবেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থেকে নিজেদের সন্তানদের ‘এডভান্সড’ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করেন। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কোনো কোনোটির শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করার মতো মনোবৃত্তি কর্মরত শিক্ষকদের মধ্যে খুব একটা দেখা যায় না। স্কুল পরিচালনা পরিষদও এসব বিষয়ে তদারকি করে না। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাট একটি অংশই লেখাপড়ায় যথেষ্ট পিছিয়ে আছে। এই পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বেশিরভাগই সন্তানদের নিয়মিত লেখাপড়ার প্রতি খেয়াল রাখেন না। শিক্ষকরাও বাড়তি নজর দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না। গ্রামাঞ্চলে নতুন আরেকটি প্রবণতা বেশ বিস্তার লাভ করতে শুরু করেছে। নানা ধরনের মাদ্রাসা অনুমোদনহীনভাবে গড়ে উঠছে। সন্তানদের মাদ্রাসায় পড়ানো হলে মা-বাবার পরকাল শান্তিময় হওয়ার নানা পরামর্শ ও দীক্ষা দিয়ে অনেকেই এসব মাদ্রাসায় শিশুদের ভর্তি করানোর জন্য নিজেরাই বাড়ি বাড়ি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যেতে থাকে। অভিভাবকরা অনেকেই তাদের সন্তানদের মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত করার ‘নিয়ত’ করেন। কিন্তু আশপাশের এসব মাদ্রাসার লেখাপড়ার মান সম্পর্কে অভিভাবকদের কোনো ধারণা নেই। তাদের ধারণা যে সন্তানরা মাদ্রাসায় পড়ছে এটিই যথেষ্ট। এছাড়া অনেক মাদ্রাসায় হোস্টেলের ব্যবস্থা থাকায় অনেক অভিভাবকই সন্তানদের হোস্টেলে রেখে পড়ানোকে অনেকটা দায়িত্বমুক্ত থাকার সুযোগ বলে মনে করেন। এছাড়া প্রবাসে কর্মরত অনেকেই সন্তানদের হোস্টেলে রেখে পড়ানোর বিষয়টিকে সুবিধাজনক মনে করেন। সে কারণে সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষা লাভের প্রয়োজনীয়তা আলাদাভাবে তারা অনুভব করেন না। গ্রামাঞ্চলে এখন সরকারি, বেসরকারি, কেজি, ক্যাডেট, নানা ধরনের মাদ্রাসা ইত্যাদি নামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেভাবে গড়ে উঠছে তাতে শিশুদের বুনিয়াদি শিক্ষার ধারণাই অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। এর ভবিষ্যৎ পরিণতি খুব বেশি একটা ভাবা হচ্ছে না। সমাজে আর্থিক সচ্ছলতা যত বাড়ছে তত ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যতা, ভিন্নতা, দূরত্ব, পার্থক্য এবং বৈষম্যের বাস্তবতা দ্রুত হারে বেড়েই চলছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যেও। অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মানও এখন ভয়ানকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। পাঠ্যপুস্তকগুলো শুদ্ধভাবে পড়ার ক্ষেত্রেও অনেক শিক্ষার্থীর দক্ষতা গড়ে উঠছে না। শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুদ্ধভাবে মাতৃভাষা, গণিত, ইংরেজি শেখার দায়িত্ব অভিভাবক বা শিক্ষকদের মধ্যে যথাযথভাবে পরিলক্ষিত না হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী শ্রেণি পাঠে পিছিয়ে পড়ছে। শিক্ষায় তারা আকর্ষণের পরিবর্তে ভয়ভীতি অনুভব করতে থাকে। ভালো ছাত্রের নামের তালিকায় তাদের ওঠার কোনো সুযোগ থাকে না, ধীরে ধীরে এরা শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ঝরে পড়ে যায়। এদেরকেই আবার কোনো কোনো মাদ্রাসায় টেনে নেয়া হয়। সেখানেও লেখাপড়ার মান বা পরিবেশ তদারকি করার কেউ নেই। আবার কিছু কিছু শিক্ষার্থী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থান করে নিলেও শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান দুর্বল ছাত্রের তালিকাই থাকে। ফলে গ্রামাঞ্চলে সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে চলছে একটি বিশৃঙ্খল, টানাটানি এবং নৈরাজ্যকর অবস্থা। অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ই এখন ছাত্র সংকটে পড়েছে। তাতে শিক্ষকদের আরো মনোযোগী হওয়ার কিংবা শিক্ষার্থীদের মানসম্মত পাঠদানে যোগ্য করে তোলার অতিরিক্ত তাগিদ অনুভব করতে দেখা যায় না। সরকারি চাকরির ফলে বেতনের নিশ্চয়তা আছে। কিন্তু শিক্ষকতা পেশাকে ধারণ করার তাগিদ অনুভূত হচ্ছে না। এখানেই সংকটের মূল কারণ নিহিত রয়েছে।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়