সেশনজট নিরসনে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কমাল ঢাবি

আগের সংবাদ

কী নির্দেশনা পেলেন ডিসিরা : জনগণের সেবক হতে হবে > খাদ্য নিরাপত্তা-বাজার স্থিতিশীল রাখা > সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ

পরের সংবাদ

পায়রা বন্দরের জন্য ২ টাগবোট বানাবে খুলনা শিপইয়ার্ড

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : নির্ধারিত লক্ষ্যেই পায়রা বন্দরের নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পায়রা বন্দরে কয়লাবাহী জাহাজের পাশাপাশি অন?্যান?্য জাহাজও আসবে। ভবিষ?্যতে এটি লাভজনক বন্দরে পরিণত হবে। পায়রা বন্দরের জন্য দুটি টাগবোট নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গতকাল বুধবার তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড টাগবোট দুটি নির্মাণ করবে।
প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী এবং খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম শামসুল আজিজ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুলতান আব্দুল হামিদ।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতার ফলে দেশের তৃতীয় সমুদ্র পায়রা বন্দর আজ নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। পায়রা বন্দর ওই অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন করেছে। পায়রা বন্দরকে ঘিরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। ব?্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে। অতীতে কোনো সরকারই বন্দর উন্নয়নে এমন পদক্ষেপ নেয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সমুদ্র বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। মোংলা বন্দরের আউটারবারে ড্রেজিং করা হয়েছে। ইনারবারে ড্রেজিং চলছে। সেখানে ৯ মিটারের বেশি ড্রাফটের জাহাজ আসতে পারবে। চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে; সেখানে ২৪ ঘণ্টা জাহাজ আসা-যাওয়া করবে। মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ বিশ্বের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এক লাখ টন ওজনের জাহাজ মাতারবাড়িতে ভিড়তে পারবে। এ বন্দর শুধু দেশে নয়, আঞ্চলিক বাণিজ্যেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৮ মাসে টাগবোট দুটি নির্মাণ করবে। ৭০ টন বোলার্ড পুল বিশিষ্ট টাগবোট নির্মাণে ব্যয় হবে ১৩৫ কোটি টাকা। টাগবোটে দৈর্ঘ্য ৩৭ দশমিক ৭০ মিটার, প্রস্থ ১১ মিটার, ড্রাফট ৫ মিটার এবং ধারণ ক্ষমতা ২৮০ টন। টাগবোট দুটির প্রতিটিই এককভাবে একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে ভেড়াতে সক্ষম হবে। এছাড়া সার্চ এন্ড রেসকিউ, অগ্নিনির্বাপণে সহায়তা করা, দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজকে টেনে নিরাপদে নিয়ে আসা, উত্তাল সমুদ্রে পাইলট ট্রান্সফারে সহায়তা করাসহ অনেক কাজে টাগবোটগুলো ব্যবহৃত হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়