লজিক প্রকল্প : রৌমারীতে সোলার পাম্প স্থাপন শুরু

আগের সংবাদ

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কী প্রস্তুতি : বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অগ্রাধিকার ও মুক্তবাণিজ্য চুক্তি হবে > ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে

পরের সংবাদ

জাতিসংঘ বহরে জঙ্গি হামলা : সোমালিয়ায় শিক্ষার্থীসহ ৩১ জন হতাহত

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৬, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ ডেস্ক : সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে জাতিসংঘের একটি নিরাপত্তা বহরে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত আটজন নিহত ও স্কুল শিক্ষার্থীসহ ২৩ জন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার এ বিশাল বিস্ফোরণে গোটা মোগাদিশু প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বলে কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
জঙ্গিগোষ্ঠী আল শাবাব হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা বিস্ফোরক ভরা একটি গাড়ি ব্যবহার করে হামলাটি চালায়। বিস্ফোরণের পর শহরের উপরে ঘন কালো ধোঁয়ার একটি স্তম্ভ উড়তে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলের আশপাশে গুলির শব্দ শোনা গেছে। হতাহতদের মধ্যে জাতিসংঘের কেউ আছেন কিনা, তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিষ্কার হয়নি বলে জানায় রয়টার্স। একটি স্কুলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জাতিসংঘের বহরটি লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ নিয়ে মন্তব্যের জন্য তাৎক্ষণিক অনুরোধে সাড়া দেননি জাতিসংঘ কর্মকর্তারা।
মোগাদিশু পুলিশের মুখপাত্র আবদিফাতাহ আদেন হাসান বলেন, আমরা আটজনের লাশ গুনেছি, ১৩ শিক্ষার্থীসহ আরো ১৭ জন আহত হয়েছেন। একটি এসইউভি ভর্তি বিস্ফোরক নিয়ে এক আত্মঘাতী হামলাকারী জাতিসংঘের নিরাপত্তা বহরকে লক্ষ্যস্থল বানায় বলে জানান তিনি। আমিন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নামে একটি সংস্থা বিস্ফোরণে আহত অন্তত ২৩ জনকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে বলে এর পরিচালক আবদিকাদির আবদিরহমান রয়টার্সকে জানান। আল শাবাবের সামরিক অভিযানের মুখপাত্র আবদিয়াসিস আবু মুসাব নিশ্চিত করে জানান, আল শাবাবের যোদ্ধারা হামলাটি চালিয়েছে এবং তারা জাতিসংঘের বহরকে লক্ষ্যস্থল করেছে।

মোগাদিশুর কেন্দ্রস্থল কে-ফোর জংশনের কাছে ঘটানো এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। বিস্ফোরণের ধাক্কায় নিকটবর্তী মুকাসসার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের দেয়ালগুলো ভেঙে পড়ে। বিস্ফোরণে অনেকগুলো গাড়ি ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়। নিকটবর্তী ওসমান হাসপাতালের নার্স মোহাম্মদ হুসেন বলেন, বিস্ফোরণের ধাক্কায় আমরা কেঁপে উঠি, এরপর গুলির তীব্র শব্দে কানে তালা লেগে যায়।
পরে বিস্ফোরণে ধসে পড়া একটি সিলিংয়ের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে তাকে টেনে বের করে উদ্ধারকারীরা। তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালের দেয়ালগুলো ধসে পড়েছে। আমাদের অপর পাশের স্কুলেরগুলোর দেয়ালও ধসে পড়েছে। আমি জানি না কতজন মারা গেছে। দেশটিতে কট্টর শরিয়া আইন চালু করতে চাওয়া আল শাবাব বছরের পর বছর ধরে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। গোষ্ঠীটি সোমালিয়া ও অন্যান্য স্থানে প্রায়ই বোমা ও বন্দুক হামলা চালিয়ে থাকে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়