কৃষিমন্ত্রী : কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে কৃষিপণ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়াতে গুণগত বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ ও সংরক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে শাকসবজির বিপণন, সরবরাহ ঠিক রাখা ও কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে করোনা পরিস্থিতিতে শাকসবজি, বীজ ও সতেজ কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ ও সরবরাহে করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অনলাইন সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সার্বক্ষণিক উদ্ভিদ সংগনিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে করোনার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মোকাবিলায় কৃষি মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

শাকসবজি ও পচনশীল কৃষিপণ্যের চলাচল নির্বিঘ্ন করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়র প্রদত্ত ত্রাণসামগ্রীতে আলু, সবজি, পেঁয়াজ ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কৃষি বিপণন অধিদফতর কৃষিপণ্যের ভ্রাম্যমাণ বাজার পরিচালনা শুরু করেছে।

লকডাউন এলাকার উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য ঘাটতি এলাকায় পাঠানোর ক্ষেত্রে ট্রাক চলাচলের জন্য জেলা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ফলে শাকসবজির বাজারজাতকরণ কিছুটা সহজ হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সভার সুপারিশ অনুযায়ী বিআরটিসির ট্র্যাক ব্যবহার, বিদেশে রপ্তানির জন্য কার্গো ভাড়া, দেশের সুপারশপ খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানো এবং সমন্বয়ের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।

সভায় জানানো হয়, সবজির জন্য উদ্বৃত্ত জেলাগুলো হচ্ছে- মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, ভোলা। এসব জেলা থেকে ট্রাকযোগে শাকসবজি অন্য জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj