টিসিবির সেবা পাচ্ছেন আড়াই কোটি পরিবার

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : দেশের আড়াই কোটি পরিবার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সেবা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে পর্যাপ্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত রয়েছে এবং মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মজুতের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় বেশি। কোনো পণ্যের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তারপরও কৃত্রিম উপায়ে কোনো পণ্যের সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গত ২৩ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য চাল, ডাল, তেল, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন ও আদাসহ সব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। রমজান মাসের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত আগে থেকেই বাড়ানো হয়েছে। দেশীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের চাহিদার তুলনার বেশি পণ্য উৎপাদন করেছে। আমদানিযোগ্য পণ্য অনেক আগেই পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি করা হয়েছে। রমজান উপলক্ষে এবং করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, মজুত, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিসিবির মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, চিনি, ছোলা ও খেজুর সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করছে। টিসিবির মাধ্যমে বিগত যে কোনো বছরের তুলনায় এবার বেশি পরিমাণে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। টিসিবির নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় তিন হাজার ডিলার এসব পণ্য ট্রাকসেলে বিক্রি করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতে সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এগুলো হলো- সারাদেশে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ও রমজানে খাদ্যসামগ্রী পরিবহনে সমস্যা যেন না হয় সেজন্য স্থানীয় পর্যায়ে পরিবহন ব্যবস্থা করা, টিসিবির ট্রাকসেল পুনর্বিন্যাস করার বিষয় বিবেচনা এবং ডলারের মূল্য বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয়া হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর তাদের অভিযান আরো জোরদার করা হবে এবং একই সঙ্গে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাণিজ্য সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় অব্যাহত রাখা, করোনা পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে দেশের বাজারে এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ ওষুধসামগ্রী বিকল্প বাজার সন্ধানে এখন থেকেই আমদানিকারকরা প্রস্তুতি গ্রহণ করবে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj