এপ্রিলের শেষে লঘুচাপ সৃষ্টির শঙ্কা

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। শেষ হতে আরো বেশ কিছু দিন সময় লেগে যেতে পারে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, চলতি মাসের শেষের দিকে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা ফসলের ক্ষতি কিংবা ঘরে তুলতে বাধার সৃষ্টি করতে পারে।

এপ্রিলের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস বলেছিল, এ মাসে দুটি নি¤œচাপ হতে পারে, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে ইতোমধ্যে মাসের চারভাগের তিনভাগ সময় পেরিয়ে গেছে। কোনো নি¤œচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ের দেখা মেলেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, এ মাসের শেষ নাগাদ একটা লঘুচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তিনি বলেন, এ মাসের শেষের দিকে একটা সিস্টেম তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঘূর্ণিঝড়ের অনেক ধাপ আছে। প্রথমে লঘুচাপ হয়, তারপর সুস্পষ্ট লঘুচাপ। এরপর নি¤œচাপ, গভীর নি¤œচাপ এবং তারপর ঘূর্ণিঝড়ের স্তরটা আসে। তবে এ মাসের শেষ নাগাদ লঘুচাপ বা সুস্পষ্ট লঘুচাপ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ আবহাওয়াবিদ আরো বলেন, এই লঘুচাপ এখন তৈরি হয়নি। আগে তৈরি হবে, নাম আসবে এবং তারপর বলা যাবে কোন দিক দিয়ে আসবে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান আরো জানান, শীতকালে যেদিক থেকে বাতাস আসে গরমকালে ঠিক তার উল্টো দিক থেকে বাতাস আসে। সে বাতাসের সঙ্গে সাগরের জ্বলীয় বাষ্প মিশে তৈরি হয় ঘন কালো মেঘ। আর এই মেঘের কারণেই এই মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি স্বাভাবিক।

এদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়- ঢাকা, বরিশাল, সিলেট, খুলনা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা-বৃষ্টি হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় স০ের্বাচ্চ বৃষ্টি হয়েছে মংলায় ৮৩ মিলি মিটার। এ ছাড়া শ্রীমঙ্গল ও রাজারহাটে ৭০, ঢাকায় ৪৭, টাঙ্গাইলে ৩২, গোপালগঞ্জে ৪০, চাঁদপুরে ৩৫, রংপুরে ২৫, সৈয়দপুরে ১৬, তেঁতুলিয়ায় ১৭, খুলনা ও ডিমলায় ৪৩, যশোর ২৭, চুয়াডাঙ্গা ২৫, পটুয়াখালী ১০, খেপুপাড়ায় ২৪ মিলি মিটার বৃষ্টি হয়। এ ছাড়া প্রায় সারাদেশেই ১ থেকে ৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj