আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই কেটেছে সুচিত্রা সেনের জন্মদিন

বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০


বিনোদন প্রতিবেদক : গত ৬ এপ্রিল ছিল বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্মদিন। প্রতিবারই এই দিনটিতে নানা আয়োজন থাকে। কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই কেটে গিয়েছে সুচিত্রার জন্মদিন। জানা যায়, বরাবরের মতো এবারো বেশ কিছু আনুষ্ঠানিকতার পরিকল্পনা ছিল সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, পাবনা টাউন গার্লস হাইস্কুল (মহাকালী পাঠশালা), নাট্য সংগঠন ড্রামা সার্কেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের। শেষ মুহূর্তে সব অনুষ্ঠানই বাতিল করা হলো করোনা ভাইরাসের কারণে।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে সব অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। এ কারণে এবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্মভূমি পাবনায় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি।’

সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্য সচিব ড. নরেশ মধু বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে এক ভয়াবহ বিপর্যয়। মানুষ বিপন্ন। প্রকৃতি স্বাভাবিক ভারসাম্য হারিয়েছে। এই বিপন্নতায় মহানায়িকার জন্মদিন উৎসবে রূপান্তরিত হোক সেটা আমরা চাইনি। বরং বিশ্ব মঙ্গল কামনায় এই দিনটি উৎসর্গ করেছি। তিনি যেখানেই থাকুন নিশ্চয়ই ভালো আছেন।’

সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যরা মহানায়িকার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ড. নরেশ মধু জানান, ৬ এপ্রিল দুপুরে সুচিত্রা সেনের মেয়ে মুনমুন সেন এক বার্তায় তাদের সংগঠনকে জানিয়েছেন, সবাই যেন তার মায়ের জন্য প্রার্থনা করেন এবং পরিষদের সবার মঙ্গল কামনা করেছেন তিনি।

মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের শিশুকাল, শৈশব ও কৈশোরকাল কেটেছে পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনের একতলা পাকা পৈতৃক বাড়িতে। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৪৭ সালে দেশভাগের কিছু দিন আগে পারিবারিক প্রয়োজনে সুচিত্রা সেন কলকাতা চলে যান। ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত সপরিবারে কলকাতায় চলে যান। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহানায়িকা।

বিনোদন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj