স্টেডিয়াম পরিচিতি : রং পরিবর্তনকারী স্টেডিয়াম

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২০

কাগজ ডেস্ক : দি আলিয়ানজ এরিনা জার্মানির মিউনিখ শহরের একটি ফুটবল স্টেডিয়াম। জার্মানির দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ স্টেডিয়াম এটি। এই স্টেডিয়ামে একসঙ্গে বসে ৭৫ হাজার লোক খেলা দেখতে পারে। স্টেডিয়ামটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট হলো এটি রং পরিবর্তন করতে পারে। স্টেডিয়ামটির বাইরের অংশ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে এটি ইচ্ছে করলেই যে কোনো রঙে রাঙানো যায়।

স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করা হয় ২০০৫ সালে। এটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০২ সালে। স্টেডিয়ামটি তৈরি করতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে জার্মানি। স্টেডিয়ামটির বাইরের অংশ তৈরি করা হয়েছে ডব্লিউ টি এফ ই প্লাস্টিক প্যানেল দিয়ে। এটি একটি বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক যা অতি উত্তাপেও টিকে থাকতে পারে। স্টেডিয়ামটির ভেতরের অংশ সূর্যের রোদ থেকে ও ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে এই প্লাস্টিক।

আলিয়ানজ হলো ইউরোপের একটি মাল্টিন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান। ৩০ বছরের জন্য এই কোম্পানিটি স্টেডিয়ামটির নামের স্বত্ব কিনে নেয়। ফলে এটি আলিয়ানজ এরিনা নামে ডাকা হয়। কিন্তু ফিফা ও উয়েফা যখন এই স্টেডিয়ামে কোনো ম্যাচ আয়োজন করে তখন তারা এটিকে ফুটবল এরিনা মিউনিখ নামে ডাকে। এই আরিয়ানজ এরিনাকে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে জার্মানির সবচেয়ে শক্তিশালী দল বায়ার্ন মিউনিখ। তারা স্টেডিয়ামটির একক মালিক।

২০০০ সালের শুরুর দিকে মিউনিখ শহরে নতুন একটি স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। আর এ জন্য ভোটাভুটিও করা হয় যে শহরে নতুন আরেকটি স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে কিনা। ওই ভোটাভুটিতে বেশিরভাগ মানুষ নতুন স্টেডিয়াম তৈরির পক্ষে মত দেয়। স্টেডিয়ামটি তৈরি করে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান হেরজগ দি মিউরোন। নতুন স্টেডিয়ামটিতে যাওয়ার জন্য মারিয়ানপ্লেজ শহরের সাবওয়ে স্টেশনগুলো সংস্কার করা হয়েছিল এবং সাবওয়ের লাইন ২টি থেকে বাড়িয়ে ৪টি করা হয়েছিল। তাছাড়া খেলা চলার দিন যেন ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি না হয় তাই স্টেডিয়ামের আশপাশের রাস্তার লেন বৃদ্ধি করা হয়। এমনকি স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার জন্য নতুন একটি রাস্তা তৈরি করা হয়।

খেলা-ধূলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj