টেক্সটাইল খাতে গুরুত্ব দিতে হবে : শামস মাহমুদ

শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি শামস মাহমুদ বলেছেন, তৈরি পোশাক খাত রপ্তানি আয়ে বড় ভূমিকা রাখলেও টেক্সটাইল খাতের অবদান কম নয়। টেক্সটাইল খাতে ব্যাংকিং সেক্টরের ঋণ আটকে আছে। একটি গার্মেন্টস করতে ২০-৫০ কোটি টাকা লাগে কিন্তু টেক্সটাইল মিল স্থাপনে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। তাই তৈরি পোশাকের পাশাপাশি টেক্সটাইল খাতকে গুরুত্ব দিয়ে পলিসি তৈরি করতে হবে। গতকাল এক সাক্ষাৎকারে ভোরের কাগজকে এসব কথা বলেন তিনি।

শামস মাহমুদ বলেন, এক সময়ের অন্যতম দরিদ্রতম দেশ ভিয়েতনাম আজ আমাদের প্রতিযোগী। বিশে^র ৫টি রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে একটি। দেখা যাবে ভিয়েতনামে টেকনিক্যাল ফেব্রিকসের অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে। যেটা দিয়ে তারা ভ্যালুএডিশন করছে। সুতরাং শুধু গার্মেন্টস নয়, টেক্সটাইল নিয়েও আমাদের এখন ভাবার সময় এসেছে। আরএমজি (রেডি মেইড গার্মেন্টস) তৈরি করে নতুন টেকনিক্যাল ভ্যালু এডেড ফেব্রিক যুক্ত করে পণ্য তৈরি করতে হবে।

নগদ সহায়তার ক্ষেত্রেও ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজের টেক্সটাইল খাতে নগদ সহায়তা বাড়ালে ভালো হবে। কারণ এখানে আমরা দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে পণ্য তৈরি করছি। আর গার্মেন্টস খাতে প্রায় ৬০ শতাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। পোশাক খাতের মতো বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা, ব্যাক টু ব্যাক এলসি, কর অবকাশ সুবিধা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে। আমাদের রপ্তানির মোট ৮০ শতাংশ হয় উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোয়। এ ক্ষেত্রে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণের ওপর জোর দিতে হবে।

দেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে টেক্সটাইল সিলেবাসে টেকনিক্যাল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত। তবেই ভবিষ্যতে এ খাতের জন্য ভালো কিছু হবে।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj