ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব : ফুরাল গানের মেলা!

রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ফুরাল গানের মেলা! দেশ-বিদেশের শতাধিক শিল্পীর সম্মিলনে আর্মি স্টেডিয়ামে জমে উঠেছিল ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্ট-২০১৯’। তিন দিনের এ উৎসবের গতকাল শনিবার ছিল শেষ সন্ধ্যা।

শেষ দিনের আয়োজনে প্রথমে মঞ্চে আসেন কাওয়ালি গানের সাড়া জাগানো বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী মালেক কাওয়াল। যিনি বিশ^াস করেন, কাওয়ালি গানের মূর্ছনা ছড়িয়ে পড়বে বিশ^ব্যাপী। চার দশকের সঙ্গীত সাধনা ও অনবদ্য পরিবেশনা দিয়ে মালেক কাওয়াল আজ হয়ে উঠেছেন বাংলা লোকসঙ্গীতের এক অনন্য নাম। সত্যি মুগ্ধতা ছড়ালেন মালেক কাওয়াল।

এরপর লোকসঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশের নন্দিত কণ্ঠশিল্পী চন্দনা মজুমদার। তার সুরের আবেশ যেন আরো প্রাণ ছুঁয়ে দিল। আরো ছিল রাশিয়ার কারেলিয়া অঞ্চলের আলোচিত ব্যান্ড সাত্তুমা ও পাকিস্তানি সুফি এবং রক-ফিউশন গানের জনপ্রিয় ব্যান্ড জুনুনের পরিবেশনা।

রাশিয়ার কারেলিয়া অঞ্চলের আলোচিত ব্যান্ড সাত্তুমা। ফোক ঘরানার এ ব্যান্ডটি রাশিয়া ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড, জার্মান, এস্তোনিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সঙ্গীত পরিবেশন করে দর্শক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মঞ্চে নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এক অদ্ভুত মূর্ছনায় দর্শককে আবিষ্ট করে রাখেন সাত্তুমার সদস্যরা। ফোক ফেস্ট ২০১৯ তে ব্যান্ডিটির এটিই প্রথম অংশগ্রহণ।

পাকিস্তানের জুনুন ব্যান্ডের জন্য এটা প্রথম ঢাকা সফর নয়। এর সদস্যরা তাই ভালো করেই জানেন এ দেশের দর্শক, শ্রোতার পছন্দ কী। সে কারণেই ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্ট-২০১৯’র আজকের পরিবেশনার জন্য তারা নির্বাচন করেছেন সুফিরফ ও ফিউশনধর্মী কিছু গান। পাকিস্তানি ব্যান্ড জুনুন উপমহাদেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের প্রিয় একটি নাম। সুফি ঘরানার গান দিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে শ্রোতাদের মোহাবিষ্ট করে রেখেছে ব্যান্ডটি। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এই জুনুনের চতুর্থ অ্যালবাম ‘আজাদি’ উপমহাদেশজুড়ে ঝড় তুলেছিল। গতকালও দুটি দল মঞ্চে তুলল অন্যরকম ঝড়। যে ঝড়ে দর্শক মুগ্ধ হয়ে ভেসে গেছে সুরের রাজ্যে।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj