পায়রা বন্দর প্রকল্প : নয় মাসে অগ্রগতি ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ

বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ। প্রথম ৯ মাসে এই প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে এই সময়ে প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি শূন্যের কোঠায়। মাত্র ২০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয় হওয়ায় এর পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ। সম্প্রতি স্টিয়ারিং কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্রে জানা গেছে, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করছে ‘পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ প্রকল্পটি। এর লক্ষ্য আমদানি-রপ্তানিজাত পণ্য বহনকারী জাহাজ হ্যান্ডলিং, পণ্য খালাস, বোঝাইসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবহন চেইনের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রত্যাশিত পর্যায়ে উন্নীত করা। এ জন্য ৩ হাজার ৯৮২ কোটি ১০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য এই প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৬৫০ মিটার জেটি নির্মাণ, ৩ লাখ ৫০ হাজার বর্গমিটার ব্যাকআপ ইয়ার্ড ও ড্রেনেজ অবকাঠামো নির্মাণ, ৫২ হাজার বর্গমিটার ¯েøাপ প্রোটেকশন নির্মাণ, ৩৩ কেভি প্রধান বৈদ্যুতিক লাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপন, অপটিক্যাল ফাইবার লাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন এবং মহাসড়কে দীর্ঘ ও মাঝারি সেতু নির্মাণসহ আরো আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন অগ্রগতিসহ কিছু বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য এর স্টিয়ারিং কমিটির দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৭ অক্টোবর। সভায় পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতির পাশাপাশি চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ ও এর বাস্তবায়ন অগ্রগতির তথ্যও তুলে ধরা হয়। সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় সিকিউরিটি ফেন্সিং নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, টেম্পোরারি জেটি ও জেটি সংলগ্ন রাস্তার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের বিভিন্ন কম্পোনেন্টের প্ল্যানিং, ডিজাইন, ড্রয়িং, প্রাক্কলন ও প্রকল্প চলাকালীন প্রকল্পের সুপারভিশনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কুনওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং, ডেইয়াং এন্ড হেরিমের সঙ্গে মোট ৭৯ কোটি ৫২ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৪ টাকার চুক্তিও সই হয়েছে। প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপির বিস্তারিত ব্যয় বিভাজনে একটি অস্থায়ী জেটিসহ বিদ্যমান পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ওপর রাস্তা পুনর্নির্মাণ কাজের জন্য ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু ডিপিপির ক্রয় পরিকল্পনায় মুদ্রণজনিত ভুলে এ বাবদ ৩০ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj