রংপুর কাস্টমসে পূরণ হয়নি রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা

বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : রংপুর বিভাগে চলতি অর্থবছর (২০১৯-২০) স্থানীয় পর্যায়ে মূল্যসংযোজন কর (ভ্যাট) থেকে প্রথম প্রান্তিকে লক্ষ্যের চেয়ে ৫৫ কোটি টাকা কম রাজস্ব আহরণ হয়েছে। বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ অধিক বাড়ানো, জনবল সংকট ও রাজস্ব আহরণের অন্যতম উৎস সিগারেট খাতের কয়েকটি কোম্পানি বন্ধ থাকা এ ঘাটতির কারণ বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কর কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) ২৮৫ কোটি ৯১ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও রাজস্ব আহরণ হয়েছে ২৩০ কোটি ৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যের চেয়ে রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে ৫৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

তবে লক্ষ্যের চেয়ে কম হলেও এ রাজস্ব গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বেশি। জুলাইয়ে ১১২ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগস্টে ৮১ কোটি ২৮ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৬৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং সেপ্টেম্বরে ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার লক্ষ্যের বিপরীতে ৮৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকার রাজস্ব আহরণ হয়েছে।

জানা গেছে, রংপুর বিভাগে স্থানীয় পর্যায়ে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-জুন) মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৫৪৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। গত অর্থবছর ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আহরণ হয় ১ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার জন্য এক বছরের ব্যবধানে এ বিভাগে রাজস্বের বার্ষিক লক্ষ্য ৩০০ কোটি টাকার বেশি বাড়ানোকেও অনেকে দায়ী করেন।

তবে রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কার্যালয়ের দাবি, লোকবল সংকট এবং প্রায় এক বছর ধরে রাজস্ব আহরণের অন্যতম খাত সিগারেটের উৎপাদন বন্ধ রাজস্ব ঘাটতির অন্যতম কারণ। সূত্র জানায়, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রংপুরে অবস্থিত পাঁচটি সিগারেট কোম্পানি গত বছরের অক্টোবর থেকে বন্ধ আছে। এখান থেকে প্রতি মাসে রাজস্ব আহরণ হতো ৩ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৪ কোটি টাকা। কোম্পানিগুলো বন্ধ থাকার কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আহরণে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj