বরগুনায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : বরগুনায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বরগুনায় বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর বেহাকৈর এলাকায় দুই সন্তানের জননীকে সাহায্য দেয়ার কথা বলে এক লম্পট ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ধর্ষক লম্পট পলাতক রয়েছে। নিচে এ সম্পর্কে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

বরগুনা : নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বরগুনায় বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের লাঙ্গলকাটা গ্রাম থেকে মেয়েটির বাবাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। লাঙ্গলকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর আত্মীয়স্বজন থানায় জানালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সদর থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন প্রাথমিক তদন্তের তথ্য দিয়ে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করে আসছিল। গত ৭ নভেম্বর দুপুর ২টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় ওই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। পরে আরো কয়েকবার ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুটি তার মা ও আত্মীয়স্বজনকে জানায়। তারা বিষয়টি থানায় জানালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি তার মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে পুলিশ ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি জানান।

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) : উপজেলার কাঁচপুর বেহাকৈর এলাকায় দুই সন্তানের জননীকে (৪০) সাহায্য দেয়ার কথা বলে রতন মিয়া (৫৮) নামে এক লম্পট ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার দুপুর ২টার দিকে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকেই লম্পট রতন মিয়া পলাতক রয়েছে। সোনারগাঁও থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের বেহাকৈর এলাকায় ২ সন্তানের জননীর স্বামী প্রায় ৫ মাস আগে ব্রেন স্টোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য পেতে তিনি পশ্চিম বেহাকৈর এলাকায় যান। এ সময় পশ্চিম বেহাকৈর গ্রামের মৃত রাজ্জাকের ছেলে ওই গৃহবধূকে সাহায্য দেয়ার কথা বলে বেন্ডিস কারখানার পাশে তার ব্যক্তিগত অফিসের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। পরে এ ঘটনাটি ওই নারী কাঁচপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমরকে জানালে তিনি থানা পুলিশের সাহায্য নেয়ার পরামর্শ দেন।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj