ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের যাত্রা শুরু

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শান্তি, সম্প্রীতি ও সেবার অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব ঢাকা লিমিটেড। ঢাকার বারিধারায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে গত সোমবার বিকেলে ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য নিয়ে প্রথম সভা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।

ক্লাবের সভাপতি মো. নাসিরুদ্দিন অসুস্থ থাকায় তার অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসেস নাসিমা রহমান। সভায় বক্তব্য রাখেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল রশিদ সরকার, পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ হেমায়েত হসাইন, পরিচালক মারুফ শিকদার প্রমুখ।

সভায় সবার সম্মতিতে ক্লাবের উন্নয়ন ও সার্বিক সহযোগিতার স্বার্থে ১৪ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তারা হলেন- এ কে এম আরিফুর রহমান, মো. রুহুল আমিন, মো. সাত্তার ভূঁইয়া, মো. আরমান, মো. শওকত আলী, মো. মাহবুবুর রহমান, বি এম ইউসুফ আলী, বি এম শওকত আলী, এন কে কোডা (বাবু), মো. মহিবুর রহমান বাবু, আলী আশরাফ আহমেদ (ডব্লিউ), শহীদুল ইসলাম পাইলট, মিসেস নিলুফার ইয়াসমিন পপি ও শ্রী রাজ শর্মা (ভারত)।

ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হলেন মো. নাসিরউদ্দিন, সহসভাপতি মিসেস তাহমিনা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসেস নাসিমা রহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ সরকার, পরিচালক (অর্থ) মো. এনামুল হক, পরিচালক সৈয়দ হেমায়েত হসাইন ও পরিচালক মারুফ শিকদার। এ ছাড়াও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে ক্লাব অফিস পরিচালনায় আশফাকুর রহমানকে নির্বাচিত করা হয়।

সভা শেষে ক্লাবের পরিচালক সৈয়দ হেমায়েত হসাইনের বাবার মৃত্যুতে ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক প্রস্তাব গ্রহণ এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শিবলি রুবাইয়াতুল ইসলাম ; নিয়ম মেনেই শিক্ষার্থীরা ইভিনিং এমবিএতে ভর্তি হয়েছিল

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ৮ নেতাসহ ৩৪ শিক্ষার্থী নিয়ম মেনেই ‘সান্ধ্যকালীন এমবিএ’ কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শিবলি রুবাইয়াতুল ইসলাম। সম্প্রতি এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে বাণিজ্য অনুষদের ড. হাবিবুল্লাহ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিবলি রুবাইয়াতুল ইসলাম এসব কথা বলেন। বিজ্ঞপ্তি।

তিনি বলেন, আমরা চেয়ারম্যানস কমিটি ও অনুষদে আলোচনার মাধ্যমে ডে-প্রোগ্রামের ছাত্রছাত্রীদের তাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইভিনিং-এ ট্রান্সফার করার বিষয়টি আলোচনা করি।

সেই সঙ্গে ঢাবি অন্যান্য অনুষদের ছাত্রছাত্রীরা; যারা বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা, করপোরেট হাউস ও টেলিকমের কাজ করে বা চাকরির সুযোগ পায়- তাদের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে লেখাপড়ার সুযোগ দেয়ার বিষয়ে দেড় বছর আগে অনুষদ সভায় আলাপের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়। কিন্তু ঢাবিতে বাহিরের ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীকে যথাযথ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার বিধানটি চালু আছে।

শিবলি রুবাইয়াতুল ইসলাম বলেন, প্রকাশিত খবরটি পড়লে মনে হয় বাহিরের ছাত্রছাত্রীকে ডাকসু নির্বাচন করানোর জন্য বেআইনিভাবে ঢাবিতে ভর্তি করানো হয়েছে,যা একেবারেই সঠিক নয়। এখানে আলোচিত ছাত্রছাত্রীরা আগে থেকেই ঢাবির সাধারণ পদ্ধতিতে ভর্তি হওয়া গ্র্যাজুয়েট। তাই একই বিশ^বিদ্যালয় আর একবার ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। এখানে কোনো প্রকার অনিয়ম করা হয়েছে বা কোনো বহিরাগতকে ডাকসু নির্বাচনের আনা হয়েছে- বিষয়টি সঠিক নয়।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj