আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ : ইংরেজি শিক্ষকের উত্ত্যক্তের শিকার নারী সহকর্মী!

রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের (মুগদা শাখার) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আবদুস সালামের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত চার মাস ধরে আবদুস সালাম তাকে কুপ্রস্তাব দেয়াসহ নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছেন। সাড়া না দেয়ায় তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছেন। এমনকি ওই শিক্ষিকার বাবার মৃত্যুর চার দিন পরই বাড়িওয়ালার কাছে তাকে চরিত্রহীন প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষিকা জানান, তিনি তার বড়বোনের সঙ্গে মুগদা এলাকায় ভাড়া থাকেন। মাস্টার্স করার পর মাস ছয়েক আগে চাকরিতে যোগ দেন। কিছুদিন পর থেকেই বাবার বয়সী সহকর্মী আবদুস সালাম তাকে উত্ত্যক্ত করা শুরু করেন। গত ২২ জুন তার বাবার মৃত্যুর পর যখন তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সে সময়ও ওই শিক্ষক তাকে হয়রানি ও কুপ্রস্তাব দিতে ছাড়েননি। এ ব্যাপারে তিনি অধ্যক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন। জানতে চাইলে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম ভোরের কাগজকে বলেন, চিঠিটি এখনো আমার হাতে আসেনি। সে কারণে কিছু বলতেও পারছি না। এ সময় তিনি আইডিয়ালের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত থাকার কথা জানান। তবে ওই সময় সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, আগের প্রতিষ্ঠান বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষকতা করাকালীন আবদুস সালামের বিরুদ্ধে অর্থ ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় কর্তৃপক্ষ তাকে এক বছরের জন্য বরখাস্ত করে। পরে কোনো ছাড়পত্র জমা না দিয়েই তিনি আইডিয়াল কলেজে চাকরিতে যোগদান করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুস সালাম ভোরের কাগজকে বলেন, অভিযোগ পুরোটাই মিথ্যা। আমি কেমন মানুষ তা অন্য শিক্ষকদের কাছে শুনুন। আগের প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে তিনি বলেন, সেখানে শিক্ষকদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর বাইরে আর কিছু নেই।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj