বিপজ্জনক মৌসুম শুরু, সাধারণ নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ : এসব রুটের নির্ধারিত সি-ট্রাক ডকইয়ার্ডে

শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯

এম মিরাজ হোসাইন, বরিশাল থেকে : বিআইডব্লিউটিএ ঘোষিত ৭ মাসব্যাপী বিপজ্জনক মৌসুম গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। এই ৭ মাস ৩ হাজার কিলোমিটার নৌপথে সমুদ্রে চলার উপযোগী জাহাজ ছাড়া অন্য নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর বিপজ্জনক মৌসুম শেষ হলে এই নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বিআইডব্লিউটিএর বরিশাল বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক শাখার উপপরিচালক আজমল হুদা মিঠু জানান, ২০০০ সাল থেকে বিআইডব্লিউটিএ এ নিয়ম পালন করে আসছে। তিনি বলেন, কালবৈশাখী মৌসুম শুরু হয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। উত্তাল থাকে নদ-নদী। তাই অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা এড়াতে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ৩ হাজার কিলোমিটার নৌপথে গতকাল ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বে-ক্রসিং সনদ ব্যতীত অন্য নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়।

আজমল হুদা জানান, নিষেধাজ্ঞা থাকা নদ-নদীগুলোর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- বরিশাল-লক্ষীপুরের মজু চৌধুরীর হাট, ভোলার ইলিশা-মজু চৌধুরীর হাট, ভোলার মীর্জাকালু-নোয়াখালীর চর আলেকজান্ডার এবং ভোলার শশীগঞ্জ-মনপুরা। এসব রুটে চলাচলকারী ২৮টি যাত্রীবাহী নৌযানের বে-ক্রসিং সনদ না থাকায় সেগুলো ৭ মাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, এসব রুটের যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ করতে বিআইডব্লিউটিসির সি-ট্রাক চলবে ৭ মাস। যদিও বিগত কয়েক বছর ধরে সি-ট্রাক চলাচল অনিয়মিত। এ সুযোগে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানগুলো চলাচল করে আসছে।

বিআইডব্লিউটিসির বরিশাল দপ্তরের উপমহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ জানান, উল্লিখিত রুটগুলোতে সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে। বরিশাল-মজু চৌধুরীর হাট রুটের নির্ধারিত সি-ট্রাক খিজির-৮ ডকইয়ার্ডে। ইলিশা-মজু চৌধুরীর হাটের সি-ট্রাক শিগগিরই চালু করা হবে। অপর দুটি রুটের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj