হিন্দু মহাজোটের দাবি : দেশব্যাপী অব্যাহত রয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতন

শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : সংখ্যালঘুদের অধিকার ও সুরক্ষায় আইনমন্ত্রী সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের কথা বলেছেন। কিন্তু এই কমিশন হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো কাজে আসবে না বলে মনে করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতারা।

তারা বলছেন, দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবি করে আসছে। কিন্তু সেই বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য নেই। তা ছাড়া দেশে নিরাপদে বসবাস করার মতো অবস্থাও এখন আর নেই। সারা দেশে ব্যাপকভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, লুণ্ঠন, বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, চাঁদা দাবি এবং দেশত্যাগের হুমকির মতো ঘটনা ঘটছে। সব ক্ষেত্রেই সরকারি দলের লোকজন জড়িত থাকায় আসামিরা খুব সহজে পাড় পেয়ে যাচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব এডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট দীনবন্ধু রায়, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব উত্তম দাস প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কয়েক দিন আগেই মানবাধিকার কর্মী প্রিয়বালা বিশ^াস ও প্রীতিলতা বিশ^াসের বসতবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সিলেটের যুগলটিলা মন্দির দখলের চেষ্টা, পাবনায় স্বপন বসাকের জমি দখল চেষ্টাসহ সারা দেশে ব্যাপকভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, লুণ্ঠন, বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, চাঁদা দাবি এবং দেশত্যাগের হুমকির মতো ঘটনা ঘটছে।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশদের স্মরণে ‘জাগ্রত-৭১’ উদ্বোধন

চট্টগ্রাম অফিস : মহান মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামে শহীদ ৮১ পুলিশ সদস্যের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ ‘জাগ্রত-৭১’ উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে না রাখলে আমরা পথ হারিয়ে ফেলব। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে জেলা পুলিশ লাইন্সে ‘জাগ্রত-৭১’ উদ্বোধন করেন তিনি। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে।

এ সময় এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সব প্রেরণার উৎস মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের যদি স্মরণ না রাখি তাহলে আমরা পথ হারিয়ে ফেলব। বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। আমাদের ইতিহাস আমাদের জাগিয়ে তুলেছে। পুলিশ সদস্যরাও ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। গৌরবের ইতিহাস যে তাদের আছে, সেটা তারা স্মরণ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, সাংসদ আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক এবং পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj