টুকি-টাকি

শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯

রান্নাঘরে পচা খাবার : ক্ষোভের মুখে চীনের সবচেয়ে নামি স্কুল

কাগজ ডেস্ক : ক্যান্টিনের রান্নাঘরে বেশকিছু মেয়াদ ফুরানো পচা খাবার পাওয়ার পর জনরোষের মুখে পড়েছে চীনের সবচেয়ে নামি চেংদু নং ৭ এক্সপেরিমেন্টাল হাই স্কুল। বিবিসি জানায়, সিচুয়ান প্রদেশে অবস্থিত এ স্কুলটিতে গত সোমবার কয়েকজন অভিভাবক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসে ক্যান্টিনের রান্নাঘরে পচা মাংস এবং সামুদ্রিক খাবার দেখতে পাওয়ার পর এ জনরোষের সূত্রপাত হয়। তারা এ খাবারের ছবি স্যোশাল মিডিয়ায় দিলে অন্যান্য অভিভাবকও ক্ষেপে যান। বুধবার স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্কুল গেটের বাইরে শত শত অভিভাবককে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। তাদের ঠেকাতে লাঠি পেটাও করেছে চীনের পুলিশ। পরে চীন পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভ থেকে তারা ১২ জনকে আটক করেছে। এক অভিভাবক বিবিসির কাছে গত নভেম্বরের একটি ঘটনা বর্ণনা করে বলেছেন, স্কুলের অনেক ছেলেমেয়েই পেটব্যাথাসহ নানা অসুস্থতায় ভুগেছে।

প্রকাশ্যে বিয়ের প্রস্তাব : প্রেমিক-প্রেমিকা গ্রেপ্তার

কাগজ ডেস্ক : শপিং মলে প্রকাশ্যে নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বিপাকে পড়েন এক যুবক। ওই মুহূর্তটি অনেকে ভিডিও করেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, টুইটারে মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। আর এতেই কপাল পোড়ে কপোত-কপোতির। ঘটনাটি ঘটেছে ইরানের আরাক শহরের একটি শপিং মলে। ফুলের পাঁপড়ি দিয়ে আঁকা হার্ট চিহ্নের ভেতরে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক যুগল। ওই সময় ছেলেটি বিয়ের প্রস্তাব দেয় মেয়েটিকে। জবাবে সম্মতি জানায় সে। এরপর ছেলেটি মেয়েটির আঙুলে আংটি পরিয়ে দেয়। দুজন দুজনকে আলিঙ্গন করে। উপস্থিত দর্শকরা হাততালি দিয়ে তাদের অভিনন্দন জানায়। স¤প্রতি ভিডিওটি টুইটারে আপলোড করা মাত্রই ভাইরাল হয়। এই ভিডিওটি দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও নজরে পড়ে। ইসলামি সংস্কৃতির বরখেলাপ করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার ‘অপরাধে’ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে অবশ্য দুজনই জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

মোবাইল ফোন দিয়ে তীর ঠেকিয়ে প্রাণে রক্ষা

কাগজ ডেস্ক : মোবাইল ফোনও সত্যিকারার্থে মানুষের জীবন রক্ষার ঢাল হতে পারে, বিশেষ করে যখন একটি তীর আপনার দিকে ধেয়ে আসছে, সেই সময়। আর এ ঘটনাই ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ার ৪৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে। তাকে লক্ষ্য করে তীর নিক্ষেপ করেছিল এক ব্যক্তি; মোবাইল ফোনে বিদ্ধ হওয়ায় অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। পুলিশ বলছে, বাড়ির বাইরে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা-কাটি শুরু হয়েছিল আক্রান্ত ব্যক্তির। মোবাইল ফোনে সেই কথা কাটাকাটির চিত্র ধারণ করতে শুরু করেন তিনি। এ সময় হামলাকারী ওই ব্যক্তি বাড়ির বাইরে থাকা ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে তীর নিক্ষেপ করেন। এ সময় ধেয়ে আসা তীরের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায় মোবাইল ফোন। কারণ তীরটি এসে বিদ্ধ হয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেতে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

মাছ পাহারায় বিড়াল!

কাগজ ডেস্ক : আদরের পুষির সামনে কখনো মাছ রেখে ভুল করে কোথাও চলে গেলেন। হঠাৎ মনে হলো এই যাহ! পুষির সামনেই মাছ রেখে এলাম। মাছটা আস্ত পাব কি না কে জানে, যা মনে করেছিলেন ঠিক তা-ই হলো। মাছ নেই। আদরের বিড়ালটা মাছ নিয়ে উধাও। এর ব্যতিক্রম হবে না- এটাই স্বাভাবিক। কারণ বিড়ালের প্রিয় খাবার মাছ। তবে ব্যতিক্রমী নির্লোভ এক বিড়ালের খোঁজ দিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। ঘটনাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার। বিড়ালটিকে সবাই আদর করে ডাকে পুষু। মাছের লোভ টলাতে পারে না তাকে। বরং কঠোর নিরাপত্তারক্ষীর মতো মাছ পাহারা দেয় নির্লোভ পুসু। অবিশ্বাস্য মনে হতেই পারে। হুলো বিড়াল পুসুকে দেখলেও এভাবেই বিস্মিত হন স্থানীয়রা। সামনে মাছ দেখেও দিনের পর দিন দূরে বসে কেবল নজরই রেখে চলে সে।

তাকে স্বেচ্ছায় কেউ মাছ এগিয়ে না দিলে কখনোই সে তাতে মুখ দেয় না। সকলের আদরের পুসু প্রতিদিনই মাছের বাজারে এসে বসে। তবে মাছের থেকে খানিকটা দূরেই বসে সে। মাছ বিক্রেতার অনুপস্থিতিতেও কখনও জ্বলজ্বলে চোখ জোড়া নিয়ে এগিয়ে যায় না সেদিকে। শান্ত-নিরীহ স্বভাবের বিড়ালটির মনে কোনো লোভ নেই। আক্ষরিক অর্থেই যেন সে ভাজা মাছটি উলটে খেতে জানে না। বিড়ালের প্রিয় খাদ্য যে মাছ- একথা তো সবারই জানা। এক টুকরো মাছের জন্য কী কাণ্ড সে ঘটাতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না। গৃহস্থের ঘরে বেড়ালের মাছ চুরি করে নেয়া এক সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু হুলো পুসু এক্ষেত্রে একেবারে ব্যতিক্রমী। ঝাড়গ্রামের ঘোড়াধরা এলাকার ঝাড়গ্রাম থানার উলটোদিকে গত প্রায় দেড় বছর ধরে মাছের ব্যবসা করছেন সুকুমার দাস। ফুটপাতের ধারে তার মাছ ব্যবসা। ঘটনাটি এলাকার লোকের কাছে অত্যন্ত পরিচিত দৃশ্য। সুকুমার মাছ ব্যবসার ফাঁকে কোনো কাজে গেলে দেখা যায় একপাশে চুপচাপ বসে রয়েছে পুসু আর নজর রাখছে মাছের ওপর। কখনোই সুকুমারের অজান্তে মাছে মুখ দেয় না সে। সুকুমার বলেন, আমরা সবাই ওকে আদর করে পুসু বলে ডাকি। খুব ছোট অবস্থায় ওকে এখানে প্রথম দেখা গিয়েছিল। তখন থেকেই এখানে আছে। ওর স্বভাব এত ভালো যে মুখে প্রকাশ করা যায় না। মাছের পাশে চুপ করে বসে থেকে সব লক্ষ্য রাখে। আমি নিজে মাছ না দিলে ও খাবেই না। আমি কখনো উঠে গেলে একপাশে বসে থেকে মাছ পাহারা দেয়। আর আমিও নিশ্চিন্তে থাকি। আগে খুব রোগা ছিল। এখনো বেশ সুস্থ।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj