কেটে যায় ক্লান্তির বান

বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থাকবে অথচ আড্ডা হবে না এটা ভাবাই যায় না। যে ক্যাম্পাসে আড্ডা নেই সেটি আসলে কোন ক্যাম্পাসই না!

মনের যাবতীয় সুখ কিংবা দুঃখ একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে মনকে হালকা করার এক অনন্য মাধ্যম এ আড্ডা। আড্ডা বিনোদনের এক চমৎকার মাধ্যম ক্যাম্পাসে আড্ডা। সেই আড্ডার আলোচনা বেশিরভাগই হয় ক্যারিয়ারভিত্তিক। তবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ গঠনমূলক আলোচনাও হয়। অনেক সময় হাস্যরসের আড্ডাও হয়। আড্ডার মাধ্যমে জানাশোনার পরিধিকে প্রসারিত করা যায়। আড্ডা হলো জীবনের একটা অংশ। আড্ডা ছাড়া ক্যাম্পাস জীবন অচল-অসার।

মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী জিনাত রেহানা চৈতি। আড্ডা নিয়ে জিনাত বলেন, ‘ফুরফুরে মেজাজের আড্ডায় সর্বদা মুখরিত থাকে ক্যাম্পাস। আড্ডা আর পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকে সবাই। তবে যার-তার সঙ্গে আড্ডা দিতে ভালো লাগে না। প্রিয় মানুষের সঙ্গেই আড্ডা দেই। চেনা মুখগুলোর সঙ্গে আড্ডা দিতেই বেশি মজা।’

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, ‘সারাদিন আড্ডা দিতে ভালো লাগে। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি আড্ডা দেই আমরা। ৬টা বাজতে গেল। বুঝতেই তো পারছেন আড্ডা কত মজার হতে পারে। আড্ডায় জড়িয়ে অনেকেই খুঁজে পেয়েছেন নতুন বন্ধু। কেউবা মনের মানুষ। আর আড্ডা অনেককে করে তুলছে আত্মবিশ্বাসী।’

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন আরেক শিক্ষার্থী তাজিন হান্নান বলেন, ‘আড্ডায় থাকলে মনে হয় আছি পরিবারের সঙ্গেই। আড্ডার কারণেই ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে প্রাণের মেলায়।

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj