ডিআইইউ-এর গবেষণা

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

৮০ শতাংশ তামাকজাত দ্রব্যে আইন অনুযায়ী সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী প্রদান করছে না কোম্পানিগুলো। এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেলের (টিসিআরসি) পরিচালিত এক গবেষণায়। গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবাণী সংক্রান্ত বিধানের দুই বছর পরও আইনের বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এমনকি সর্বোচ্চ করদাতা কোম্পানি বা মাল্টিন্যাশনাল তামাক কোম্পানিও মানছে না তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের এ ধারাটি। এ ছাড়া খুচরা সিগারেট ও বিড়ি ক্রয়ের কারণে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর বিধান কাজে আসছে না। দেশের ৮ বিভাগের ৮টি জেলায় গবেষণা জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৯ এপ্রিল বিএমএ ভবনের শহীদ ডা. মিলন সভাকক্ষে আয়োজিত ‘তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন-বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেলের (টিসিআরসি) প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের (এনটিসিসি) সমন্বয়কারী খায়রুল আলম সেখ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের ইপিওডেমোলজি অ্যান্ড রিসার্চ ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, আন্তর্জাতিক সংস্থা ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের হেড অব প্রোগ্রাম মো. শফিকুল ইসলাম, সিটিএফকের মুখ্য পরামর্শক (বাংলাদেশ) মো. শরিফুল আলম, দ্য ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ, নাটাবের নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ, এইড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বকুল ও ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট্রের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক সৈয়দা অনন্যা রহমান।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj