ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যাযজ্ঞের স্বরূপ

মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে পাকিস্তান শাসনের অবসান ঘটতে শুরু করে। ওই সময় থেকে কেবল ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ছাড়া আর কোথাও পাকিস্তানি পতাকা উড়তে দেখা যায়নি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই শুরু হয়েছিল দুর্বার অসহযোগ আন্দোলন। ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় গণহত্যার নির্দেশ দিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া চুপিসারে করাচির পথে ঢাকা ত্যাগ করেন। এই নির্দেশের নাম দেয়া হয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’। এটি বাঙালিদের জন্য ছিল একটি ‘কালরাত্রি’। কারণ সৈন্যরা মধ্যরাতের পর থেকেই নির্বিচারে হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করতে আরম্ভ করেছিল। ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামের এই পরিকল্পনাটি কার্যকর করার দায়িত্ব গ্রহণ করেন ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার টিক্কা খান। তারই নির্দেশে ২৫ মার্চের মধ্যরাতের পর অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকবাহিনী বাংলাদেশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওই রাতে শুধু সাধারণ মানুষের ওপর নয়, প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয় বাঙালি নিরাপত্তাকর্মীদের ওপরও। সৈন্যবাহিনীর বাঙালি সদস্য, ইপিআর এবং পুলিশদের খতম করা ছিল পশ্চিমাদের একটি বড় লক্ষ্য। ঢাকার রাজারবাগ ও পিলখানায় এবং চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি বাহিনী যথাক্রমে বাঙালি পুলিশ, ইপিআর এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (ইবিআর)-এর সৈন্যদের গণহারে হত্যা করতে শুরু করে। এই অপারেশনের মূল লক্ষ্য ছিল গণহত্যা এবং অগ্নিসংযোগ। প্রথমেই পুরো ঢাকা শহরে হামলা চালানো হয়। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হত্যা করে জগন্নাথ হল, রোকেয়া হলসহ বিভিন্ন জায়গায় গণকবর দেয়া হয়। ওই রাতে অনেক শিক্ষককে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, অধ্যাপক এ এন এম মনীরুজ্জামান, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. ফজলুর রহমান খান, ড. এ মুকতাদির, শরাফাত আলী, এ আ কে খাদেম, অনুদ্ধেপায়ন ভট্টাচার্য, সা’দত আলী, এম এ সাদেক প্রমুখ। এ ছাড়াও ওই রাতে ইকবাল হল (বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, ফজলুল হক, ঢাকা হল, এস এম হলের অনেক আবাসিক ছাত্রকে হত্যা করা হয়। শুধু ঢাকা শহরে সেদিন কতজনকে হত্যা করা হয়েছিল তার হিসাব পাওয়া যায়নি। কারণ অনেক দেহ পুড়ে গিয়েছিল বা গণকবর দেয়া হয়েছিল। তবে সে সংখ্যা কমপক্ষে দশ হাজারের বেশি হবে। গণহত্যার এই বীভৎস দৃশ্য দেখলে পাগল হওয়ার উপক্রম হবে বলে অনেকেই উল্লেখ করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানের সামরিকজান্তা ঢাকাসহ সারাদেশে গণহত্যা শুরু করলে বঙ্গবন্ধু ২৫ মার্চ দিবাগত রাত ১২.২০ মি. অর্থাৎ ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু পিপিআরের ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে প্রেরিত বার্তায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন। ওই সময়েই বাঙালির প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়, শুরু হয় স্বাধীনতাযুদ্ধ যা মুক্তিযুদ্ধ নামে পরিচিত। ঢাকা ও প্রদেশের অন্যান্য স্থানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও হত্যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে রাতারাতি দেশব্যাপী সর্বস্তরের জনগণের মধ্য থেকে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। তবে মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ করে ১৯৭১ সালের ২৫ কিংবা ২৬ মার্চ শুরু হয়নি। বহুদিনের পুঞ্জীভূত বঞ্চনা, নিপীড়ন থেকে মানুষ মুক্তি চেয়েছে সর্বতোভাবে- এই অনুভূতিই সৃষ্টি করেছে মুক্তিযুদ্ধ। একেবারে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং যে প্রত্যক্ষ সমরে অংশগ্রহণ করেছে দেশের আপামর জনসাধারণ।

মুক্তিযুদ্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্য গণহত্যা। সভ্যতার বিপরীতে এর অবস্থান। গণহত্যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত যার কোনো ক্ষমা নেই। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়। ত্রিশ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়। কম সময়ে এত বেশি মানুষ আর কোথাও হত্যা করা হয়নি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী এই গণহত্যা শুরু করে। এটি ছিল মানব ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম ও ভয়াবহতম হত্যাকাণ্ড। রাজাকার, শান্তিবাহিনী সংগঠিত হওয়ার পর গণহত্যার কার্যক্রম আরো ব্যাপক এবং পরিকল্পিতভাবে চলতে থাকে। ২৫ মার্চ ১৯৭১ সাল থেকে গণহত্যা শুরু হয় এবং তা চলে চূড়ান্ত স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেই গণহত্যা চালানো হয়েছিল। অনেক জায়গায় একসঙ্গে মৃতদেহ গর্ত করে পুঁতে রাখা হয়েছে যেগুলোকে আমরা গণকবর বলি। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু স্থানে নিয়েও মানুষ হত্যা করে ফেলে রাখা হতো। এগুলো বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত। যেমন : ঢাকার রায়েরবাজার বা শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমি। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে গণকবর ও বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া গেছে। সংরক্ষণের অভাবে অবশ্য অনেক গণকবর বা বধ্যভূমি আজ বিলুপ্ত। এক জরিপে ১০০০-এর বেশি গণহত্যা গণকবর ও বধ্যভূমির নাম পাওয়া গেছে।

গণহত্যার বিবরণ দিতে গিয়ে রবার্ট পাইন ১৯৭২ সালে প্রকাশিত তার ‘ম্যাসাকার’ গ্রন্থে লিখেছেন, মূলত ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ পশ্চিম পাকিস্তানি জেনারেলরা আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের খতম করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ফেব্রুয়ারি মাসের এক সেনা-বৈঠকে স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করেন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান- ‘ওদের ৩ মিলিয়ন খতম করে দাও। দেখবে বাদবাকিরা আমাদের হাত থেকেই খাবার নিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করবে।’ সত্যি সত্যিই ৩ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩০ লাখ নিরীহ, নিরস্ত্র মানুষকে বর্বররা নির্মমভাবে হত্যা করে। ধর্ষণের শিকার হয় এ দেশের ৪ লাখ নারী। তাদের হত্যা তালিকায় ছিল এ দেশের রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, হিন্দু ধর্মাবলম্বী। আর নারীরা শিকার হয়েছিল ধর্ষণ, গণধর্ষণ শেষে হত্যার যার সূচনা হয় ২৫ মার্চ রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং পিলখানায় ইপিআর সদস্য বাঙালি জোয়ানদের হত্যার মধ্য দিয়ে। রবার্ট পাইনর মতে, প্রথম সপ্তাহেই শুধু ঢাকাতেই ৩০ হাজার মানুষ হত্যার শিকার হয়। এর পর গণহত্যা চলতে থাকে শহর পেরিয়ে গ্রামে। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এমন স্থান পাওয়া যাবে না, যেখানে পাকিস্তানিরা নারকীয় তাণ্ডব চালায়নি। নদীমাতৃক বাংলাদেশের সর্বত্র ভাসতে থাকে লাশ আর লাশ।

গণহত্যার স্বরূপ, পদ্ধতি ও হত্যা করার আগে কীভাবে এসব হতভাগ্য মানুষকে রাখা হতো তার বর্ণনায় রবার্ট পাইন লিখেছেন, ‘শুধু হত্যার পদ্ধতি নয়, মৃত্যুর পর এসব হতভাগ্য মানুষের লাশ কীভাবে গুম করা হতো সেটিও কমবেশি চোখে পড়ে। এখানে ‘বন্দিশালাটি’ ছিল একটি বড় ধরনের গুদাম, যা ছিল পাকিস্তান অয়েল কোম্পানির। এই গুদামে লোকজন এনে ধরে রাখা হতো, নির্যাতন করা হতো এবং এক সময় খুন করে সোজা নদীতে ফেলে দেয়া হতো। সুবিধাটি ছিল এই, নদীতে ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই লাশগুলো স্রোতের টানে ভেসে যেত। এ ধরনের হত্যা চলত রাতের পর রাত। বেশিরভাগকেই এক সঙ্গে দড়িতে বেঁধে গুলি করে বা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নদীতে ফেলা হতো। এ ধরনের নারকীয় গণহত্যার উদাহরণ মেলে আরমেনিয়ার বা ১৯৩৭ সালে জাপানি সৈন্যদের দ্বারা সংঘটিত নানজিং গণহত্যায়।’

১৯৭১ সালের ৭ জুন দ্য আইরিশ টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়- সৈনদ্যল প্রায় ২০০০ পুরুষকে স্ত্রী-পুত্রের কাছ থেকে সরিয়ে এনে মেশিনগান চালিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। এই গুলিবৃষ্টিতে প্রায় ৮০০ জন মারা যায়। বাকিরা মৃতের ভান করে পড়ে থাকে এই আশায় যে, সৈন্যরা তাদের ছেড়ে চলে যাবে। কিন্তু সেনাবাহিনী বাচ্চাদের খেলাঘরের মতো মৃত ও জীবিত সবাইকে একত্রিত করে ওদের ওপর পেট্রল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

হানাদার এবং তাদের দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা মেলে ১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার প্রতিবেদনে, নওগাঁর তাজ সিনেমা হলের নিকটবর্তী পুরনো পশু হাসপাতালটি অতিক্রম করে উত্তর দিকে কিছু দূর গেলেই দেখা যাবে, ছোট একটি মসজিদ। তার পাশেই রয়েছে একটি দালান বাড়ি। বসবাস করত এক বিহারী ব্যবসায়ী, নাম ইদ্রিস। তার বাসার ভেতর যেতেই যে কেউ চমকে উঠবেন। দেখতে পাবেন দুই ঘরের ভেতরে নির্মম হত্যার প্রামাণ্য চিহ্ন। একটি ঘরে অনেক দড়ি ঝুলে আছে। আর অপরটিতে রয়েছে অসংখ্য বাঙালির রক্তের ছাপ। বিহারী ব্যবসায়ীরা খানসেনাদের সহযোগিতায় যেসব বাঙালিকে ধরে এনে জবাই করত। খুলনার পাটিনাম জুট মিলের হত্যাকাণ্ড ছিল যেমন লোমর্হষক, তেমনি নির্মম ও নিষ্ঠুর। মিলের জ্বলন্ত বয়লারের ভেতরে ফেলে কমপক্ষে ৫৬ জনকে হানাদাররা পুড়িয়ে হত্যা করে। বাঙালি শ্রমিকদের এনে বসানো হতো বয়লারের সামনে বিশ ফুট উঁচু পাকা প্রাচীরের পাশে। এরপর তাদের বস্তাবন্দি করে পায়ের দিক থেকে জ্বলন্ত বয়লারের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হতো। ঢোকানো অংশ পুড়ে গেলে দেহের বাকি অংশ ও মাথা একটু একটু করে বয়লারে ঢুকিয়ে দেয়া হতো গাইবান্ধার বোনারপাড়া জংশন রেল স্টেশন এলাকায় অবাঙালিদের সহযোগিতায় পাকসেনারা নির্মম হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল। সেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে আনা মানুষকে কয়লাচালিত ইঞ্জিনের আগুনে পুড়িয়ে মারা হতো। অনেক লোককে জবাই করে হত্যা করে রেললাইনের ধারে পুঁতে রাখা হতো। এমন ঘটনা ছড়িয়ে আছে দেশজুড়ে। হত্যাযজ্ঞগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায়, হত্যার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। তাই সবার সন্ধান মেলানো বেশ কষ্ট।

তবে, হত্যাযজ্ঞের শিকার যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা তা সহজেই অনুমেয়। সমাজবিজ্ঞানী আর জে রুমেল তার ‘ডেথ বাই গভর্নমেন্ট’ বইতে ইহুদিদের ওপর নাৎসিদের বীভৎস অত্যাচারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, গোটা প্রদেশ জুড়ে যেভাবে গণহত্যা চলেছিল তাতে হিন্দুদের দেখামাত্র গুলি করে হতো। অন্যদিকে হিন্দু-মুসলিম পার্থক্য নির্ণয় করতে সৈন্যরা কাপড় খুলে তাদের লিঙ্গ পরীক্ষা করত। যদি ‘মুসলমানি’ করানো থাকতো তাহলে হয়তো বাঁচা গেলেও বাঁচা যেত। তা না হলেই অনিবার্য মৃত্যু।

তপন কুমার দে তার গণহত্যা গ্রন্থে লিখেছেন, পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের তাণ্ডব সব থেকে বেশি ঘটে কুড়িয়ানা, সসীদে বাউকাঠি ও জলাবাড়িতে। কেননা, উল্লিখিত এলাকাগুলো হিন্দু স¤প্রদায় অধ্যুষিত। জলাবাড়ির ৩৩টি গ্রাম তারা নির্বিচারে জ্বালিয়ে দেয়। নাজিরপুর ও বানারীপাড়া থানায় তারা কয়েকশ লোককে হত্যা করে। বৃহত্তর বরিশাল জেলায় মোট ৭৭ হাজার লোক শহীদ হন। শুধু পিরোজপুরের ৭টি থানাতেই তারা ৩০ হাজার লোককে হত্যা করে। গণহত্যার শিকার এ হতভাগ্যদের প্রায় অর্ধেকই ছিল নারী।

১৯৮১ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার তেত্রিশতম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ একটি রিপোর্ট বের করে। ওই রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্বের ইতিহাসে যেসব হত্যার ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে সর্বাধিক সংখ্যক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের গণহত্যায়। মানব জাতির ইতিহাসে গণহত্যাযজ্ঞের ঘটনাসমূহে দৈনিক গড় নিহতের সংখ্যায় এটি সর্বোচ্চ। এসব তথ্য-উপাত্ত সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে- মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড মানব ইতিহাসের জঘন্যতম এবং নৃশংসতম গণহত্যাযজ্ঞ।

:: ড. সুলতান মাহমুদ রানা

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিজয় দিবস : বিশেষ আয়োজন ২০১৪'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj