‘ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌপথে বাড়তি চাপ থাকলেও, সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তার ভাষায়, ‘নির্ধারিত ভাড়ায় ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন এবং নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সবকিছু মিলিয়ে একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি।’
বুধবার (২৭ মে) দুপুর সোয়া ১২টায় গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন মন্ত্রী।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘সরকার সার্বক্ষণিকভাবে ঈদযাত্রা মনিটরিং করছে। যমুনা সেতুর আগে চন্দ্রা এলাকায় কিছু যানজট বা ধীরগতি থাকলেও সেটি স্বাভাবিক। কারণ সাত লেনের যানবাহন দুই লেনে প্রবেশ করায় সেখানে গাড়ির গতি কমে যাচ্ছে। তবে ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা নেই।’
এ সময় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগে কিছুটা চটে যান মন্ত্রী। মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের কাছ ৫ গুণ ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে— এক সাংবাদিকের করা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনার কাছে যদি রেকর্ড থাকে চলেন। আপনি আমার গাড়িতে ওঠেন। চলেন। আমার গাড়িতে উঠবেন, চলেন। কোন কাউন্টার বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কথা বলেছে? নিয়েছে না চেয়েছে, দেখাতে পারেন, চলেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিএর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে বসে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে আমি জেনেছি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রীরা বাড়ি যাচ্ছেন। দেড় কোটি মানুষ দুই-তিন দিনের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছে। আবার প্রায় ৮০ লাখ কোরবানিযোগ্য পশুও পরিবহন করতে হচ্ছে। পরিবহন খাতের সামর্থ্যের শতভাগ দিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি।’
রেলপথে নারীদের জন্য বিশেষ কোচ সংযোজনের বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এরইমধ্যে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে বিশেষ কোচ যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব ট্রেনে এখনই এটি সম্ভব হয়নি, কারণ আগেই অধিকাংশ টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে এবং পর্যাপ্ত কোচও হাতে নেই। ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত ৫১টি কোচ এরইমধ্যে যুক্ত করা হয়েছে।’
উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রো স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত ছিল না। এ ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনকে জিজ্ঞেস করেন। যারা এখানে ইজারা দিয়েছে, টাকা নিয়েছে দায় তাদের।’
