×

জাতীয়

বেনজীরের থেকেও কয়েকগুণ বেশি সম্পদ মতিউরের!

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৫:১৭ পিএম

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট আপিলেট ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা’র প্রেসিডেন্ট ড. মো. মতিউর রহমান। অবৈধ সম্পদ গড়ার ব্যাপারে সিদ্ধহস্ত তিনি। এ জন্য যেকোন সময় রাজনৈতিক দল পাল্টানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

অভিযোগ রয়েছে এক সময় তিনি করতেন শিবির। তার উত্থানটা শুরু বিএনপির আমলে। সাবেক দুই অর্থমন্ত্রীর সঙ্গেও তার সখ্যতা ছিল। তবে সব সরকারের আমলেই সুযোগ পেয়েই ধনকুবের হয়েছেন মতিউর। স্বর্ণ চোরাচালান কারবারেও তার সিদ্ধহস্ত ছিল। বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক মতিউরের বিরুদ্ধে কানাডা, মালয়েশিয়া, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে তিন হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। 

কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকার ছাগল কিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় আসা মুশফিকুর রহমান ইফাত হলেন মতিউর রহমানের ছেলে। মতিউর রহমান এনবিআর সদস্যর পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকেরও পরিচালক। ব্যাংক সেক্টরের একজন শক্তিশালী সচিব কয়েকশ’ কোটি টাকার বিনিময়ে তাকে পরিচালক বানিয়েছেন। এই বিষয়টি ব্যাংকপাড়া সবার মুখে আলোচনা। দুর্নীতিবাজ মতিউর কিভাবে হলো পরিচালক। 

ব্যবসায়ীরা বলেন, মতিউর রহমান দুর্নীতি করতে আন্ডারগ্রাউন্ডের গণমাধ্যমকে বেঁছে নিতেন। তাদের দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করাতেন।এরকমভাবে স্টাইলে কয়েক শ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা নিয়েছেন মতিউর।

ঢাকা এয়ারপোর্ট, যশোর এয়ারপোর্ট, বেনাপল স্থলবন্দর ও চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে দায়িত্ব পালন করেছেন। এয়ারপোর্ট থেকে স্বর্ণ চোরাচালানে তার সম্পৃক্ততা ছিল।এয়ারপোর্টে ক্লিয়ারিং ও ফরওয়ার্ডিং এজেন্টদের নিয়েও তার ব্যবসা ছিল। 

শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিরও মূল হোতা মতিউর। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, এয়ারপোর্টে দায়িত্ব পালনকালে মতিউর কমপক্ষে ৩ হাজার কোটি টাকা নিয়েছেন। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হবে টাকা মতিউরের। সে হলো এই যুগের টাকার কুমির। ইতিমধ্যে আমাদের নরসিংদী সংবাদদাতা নিবারণ রায়ের অনুসন্ধানে সেখানে মতিউরের স্ত্রীর পাহাড় সমান অর্থের তথ্য পেয়েছেন। 

এয়ারপোর্ট ১৮টি সংস্থা কাজ করে, তারপরও স্বর্ণ পাচার করে এসেছেন মতিউর। অর্থাৎ নিজে হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়েছেন, অন্যদিকে অন্যান্য সংস্থার এক শ্রেণীর কর্মকর্তাদের কোটিপতি বানিয়েছেন। তিনি হলেন কোটি টাকা বানানোর কারিগর। টাকা কামানোর সব রাস্তা তারা জানা। দুর্নীতি করে নিখুঁতভাবে। সব সরকারের আমলেই একটি শক্তিশালী গ্রুপ তার পেছনে থাকতো। এক শ্রেণীর এমপি, আমলা এমনকি কতিপয় মন্ত্রীদের কোটি কোটি টাকা বানিয়ে দিয়েছেন। তার ভয়ে সবাই টটস্থ থাকতো।আওয়ামী লীগের এক শ্রেণীর নেতারাও মতিউরের কাছ থেকে অর্থ পেতেন। 

এদিকে ড. মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে পূর্বের চার দফা দুদকের অনুসন্ধানের যাবতীয় ফাইল তলব করেছে কমিশন। একই সাথে ২০০৪, ২০০৮, ২০১৩ ও ২০২১ সালে পরিসমাপ্তকৃত ৪টি দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে কোনো অসংগতি আছে কি না, থাকলে দুদকের কোন কোন কর্মকর্তা জড়িত সেটা তদন্ত করতে বলা হয়েছে। মতিউরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান নথি খুঁজে না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

টাইমলাইন: ছাগলকাণ্ডে বিপাকে মতিউর

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হচ্ছে ৪ বিষয়

নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হচ্ছে ৪ বিষয়

ইরানে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প

ইরানে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ৪

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ৪

ইরানের পর 'হামলা বন্ধ করার' ঘোষণা দিলো ইসরায়েলও

ইরানের পর 'হামলা বন্ধ করার' ঘোষণা দিলো ইসরায়েলও

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App