×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

জাতীয়

বিচারককে মারধর, আসামি কারাগারে

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৮:৫৭ পিএম

বিচারককে মারধর, আসামি কারাগারে

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর হাতিরঝিলে ঢাকা  চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এক বিচারককে মারধরের ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় মো. আলী নামের এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

রবিবার (২৩ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

হাতিরঝিল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক এশারত আলী জানান, গত ১৬ জুন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। রবিবার তার জামিনের বিষয়ে শুনানি ছিল। তবে আসামি হাজির না থাকায় তার উপস্থিতিতে আগামী ২৭ জুন জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

আরো পড়ুন : দুর্নীতিকে সুরক্ষা দেয়ার অপচেষ্টা: টিআইবি

এর আগে গত ১৪ জুন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১৮ আদালতের অফিস সহায়ক (ওমেদার) হুমায়ুন কবির হাতিরঝিল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তিনি বলেন, গত ৭ জুন আমার বিচারক স্যারের সাথে প্রাইভেটকার যোগে হাতিরঝিল হয়ে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে হাতিরঝিল মধুবাগ ব্রিজের ওপরে একজন মোটরসাইকেল আরোহী হঠাৎ গাড়িতে ধাক্কা দেয়। আমি এবং আমার স্যার গাড়ি থেকে নেমে অজ্ঞাতনামা মোটরসাইকেল আরোহীকে থামাই। মোটরসাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে আমাদের সাথে তর্কাতর্কি শুরু করে। 

অজ্ঞাতনামা সাইকেল আরোহী তর্কাতর্কি শুরু করলে আমি এবং আমার স্যার সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করি। তখন অজ্ঞাতনামা মোটরসাইকেল আরোহী আমাদের গতিরোধ করে। এমন সময় ঢাকা মেট্রো-গ-১৬-২৩৩২ নামীয় প্রাইভেটকার চালক তার গাড়ি আমাদের গাড়ির পেছনে থামায়। গাড়ি থেকে আসামি মো. আলী (৫৩) মোটরসাইকেল আরোহীর সাথে যোগ দিয়ে আমার ও আমার স্যারের সাথে তর্কাতর্কি শুরু করে। আমার স্যার তখন তার পরিচয় দিলে আসামিরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে কোনো কারণ ছাড়াই আমার স্যারকে ধাক্কা দেয়। 

আমি তাকে ধাক্কা দেয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে আসামি আলী (৫৩) ও অজ্ঞাতনামা আসামি মোটরসাইকেল চালক আমার স্যারকে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করে। আমার স্যারকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে রাখে এবং মেরে ফেলতে চেষ্টা করে। আমি বাধা দিলে অজ্ঞাতনামা আসামি (মোটরসাইকেল আরোহী) আমাকেও কিল-ঘুষি মেরে মাথা, ঘাড় ও পিঠে জখম করে। মোটরসাইকেলের অজ্ঞাতনামা চালক আমাদের গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙে ফেলে এবং বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে। আমরা সেখান থেকে কোনোরকম পালিয়ে আসি। আসার সময় আমরা আসামি মো. আলীর (৫৩) গাড়ি ও মোটরসাইকেলের ছবি তুলতে সক্ষম হই। গাড়ির নম্বর থেকে প্রাইভেটকার চালক আসামি আলীর (৫৩) পরিচয় বের করতে সক্ষম হই।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App