×

জাতীয়

স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য টেকসই পর্যটন অপরিহার্য হতে পারে

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৪, ০৮:২৭ পিএম

স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য টেকসই পর্যটন অপরিহার্য হতে পারে

ছবি: ভোরের কাগজ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের জন্য হয়ে উঠতে অন্যতম হাতিয়ার। অভ্যন্তরীণ পর্যটন বাজার আরো সুন্দর করতে হবে। কারণ স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য টেকসই পর্যটন অপরিহার্য। 

শনিবার (৮ জুন) এক আলোচনা সভায় এসব অভিমত ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। 

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এবং স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মার্কেটিং ডিসিপ্লিন যৌথভাবে  ‘টেকসই স্মার্ট পর্যটন গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে। রাজধানীর স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাপস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সহকারী অধ্যাপক মো. রবিউল কবির সঞ্চালনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাভেদ আহমেদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান সামিনা হক। 

আরো পড়ুন: ঢাকা ওয়াসায় দুর্নীতি করার সুযোগ নেই

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, পর্যটন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল, অতি বৈচিত্র্যময় এবং শ্রমঘন একটি শিল্প, যা দেশের বিভিন্ন সেক্টরে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। দেশের উন্নয়নযাত্রায় পর্যটন শিল্পের সংযোজন শুধু আর্থিক সফলতা বয়ে আনবে না, সেই সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে এর সুফল ছড়িয়ে দেবে স্থানীয়দের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের জন্য হয়ে উঠতে পারে অন্যতম হাতিয়ার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন, এডভেঞ্চার ট্যুরিজম একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ, ট্যুরিজম বিহেভিয়ারের জায়গায় কাজ করতে হবে। পাবলিক ও প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে একটি টেকসই টুরিজম নিশ্চিত করা যেতে পারে। 

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ রক্ষা পায় এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য (ইকোলজিক্যাল ব্যালান্স) ও মানুষের আর্থসামাজিক সাম্য বজায় থাকে, তাই টেকসই উন্নয়ন। বাংলাদেশে পর্যটনের যাত্রা অনেক আগে শুরু হলেও নানা প্রতিকূল অবস্থা পেরিয়ে আজকে আশার আলো ছড়াচ্ছে। অপার সম্ভাবনাময় আমাদের দেশ হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ পর্যটন এলাকা, যা শুধু অর্থনৈতিক চাকাকে সচল করবে না, পাশাপাশি বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমর্যাদাকে তুলে ধরবে।

আরো পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক লালন ও লোক উৎসব ১৯-২০ অক্টোবর

জাভেদ আহমেদ মূলপ্রবন্ধে বলেন, অভ্যন্তরীণ বা লোকাল ট্যুরিজমের বাজারটা সুন্দর করতে হবে, তাতে সময় দিতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশে টেকসই ট্যুরিজম আশা করতে পারবো। 

সেইভ আওয়ার সি এর সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, আমাদের কোনো হেরিটেজ নেই। আছে ন্যাচারাল বিউটি। কোস্টাল এলাকায় ম্যানগ্রোভ নিশ্চিত করতে হবে এবং সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র ধরে রাখতে পারলেই টেকসই ট্যুরিজম হবে। বিশেষ করে আন্ডারওয়াটার ট্যুরিজম চালু করতে হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App