×

জাতীয়

ভূমিমন্ত্রী

এখন থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল জুলাই-জুন

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৪, ০৫:২৩ পিএম

এখন থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল জুলাই-জুন

ছবি: সংগৃহীত

ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, জাতীয় আর্থিক বছরের সঙ্গে সমন্বিত করে এখন থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল হবে প্রতি বছরের ১লা জুলাই থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত।

শনিবার (৮ জুন) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ভূমিসেবা সপ্তাহ ২০২৪ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে ভূমিমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

ভূমিমন্ত্রী বলেন, অতীতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল ছিল প্রতি বছরের ১লা বৈশাখ থেকে ৩০শে চৈত্র পর্যন্ত (বঙ্গাব্দ)। কর আদায়কালের বর্তমান পরিবর্তনটি ভূমি উন্নয়ন করের আদায় প্রক্রিয়াকে অধিকতর সুষম, স্বচ্ছ ও কার্যকর করবে বলে আমরা মনে করি। এই নতুন পদ্ধতি আমাদের দেশের ভূমি রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে এবং রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনবে বলে বিশ্বাস করি।

আরো পড়ুন: সংকটকালে এই বাজেট গণমুখী ও বাস্তবসম্মত

মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট ভূমিসেবা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কর্ম-পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। কোন খতিয়ানের দাগ শেয়ার হবে না, ভূমি নিয়ে কোন মামলা-মোকদ্দমা থাকবে না, সীমানা বিরোধ হবে প্রায় শূন্য, নাগরিকগণকে খুব প্রয়োজন ছাড়া ভূমি অফিসে যেতে হবে না, এনআইডি দিয়েই পাওয়া যাবে একজন নাগরিকের জমির সকল তথ্য আর জমি ক্রয়ের সঙ্গে-সঙ্গে পাওয়া যাবে 'সার্টিফিকেট অব ল্যান্ড ওনারশীপ' বা সিএলও। যে-সব জায়গায় একবার ডিজিটাল জরিপ সম্পন্ন হবে, সেখানে ভবিষ্যতে আর জরিপ করার প্রয়োজন পড়বে না।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশনসহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ নারী অধিকার নিশ্চিতকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও, এসব উদ্যোগ দেশের নাগরিকদের ভূমি সংক্রান্ত অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। নিজস্ব ভূমি অধিকার সুনিশ্চিত করতে পারলে মানুষ আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন হয়ে উঠবে। এটি তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।

আরো পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে স্ত্রী, সন্তানদের সামনে একব্যক্তিকে গুলি ও পিটিয়ে হত্যা

অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে ভূমি সচিব মো. খলিলুর রহমান বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করেছে এবং নতুন জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ ভূমি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সহজতর করবে এবং জনগণকে দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে জমি সংক্রান্ত সেবা প্রদানে সহায়তা করবে। নতুন জনবল নিয়োগের ফলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ‘ভূমি আমার ঠিকানা, স্মার্ট ভূমিসেবা স্মার্ট নাগরিক’ ‘ঢাকা জেলার খাসজমি চিহ্নিতকরণ, উদ্ধার ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম’, ‘ঢাকা জেলার জলমহাল সমগ্র’ - এই তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মচোন করেন ভূমিমন্ত্রী।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সবুর মন্ডল, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম এবং ঢাকার জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App