×

জাতীয়

‘সানভীস বাই তনি’র শোরুম খোলা হবে কি না, জানা যাবে সোমবার

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ০২:৫৯ পিএম

‘সানভীস বাই তনি’র শোরুম খোলা হবে কি না, জানা যাবে সোমবার

সানভীস বাই তনি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনির মালিকানাধীন গুলশানের ‘সানভীস বাই তনি’ শোরুম সিলগালা করা কেন অবৈধ হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার (১০ জুন) আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে তনির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. খালেকুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ ও আনিচ উল মাওয়া।

এর আগে গত ২৭ মে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ ‘সানভীস বাই তনি’ শোরুম সিলগালা করা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। রুলের পরবর্তী শুনানির জন্যে আজকের দিন ধার্য করা হয়।

গত ৪ এপ্রিলের এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজধানীর পুলিশ প্লাজায় রোবাইয়াত ফাতিমা তনির মালিকানাধীন ‘সানভিস বাই তনি’র প্রধান শোরুমে গত ১২ মে অভিযান চালান অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক জব্বার মন্ডল ও ইন্দ্রানী রায়। ওই দিন তার শোরুম সিলগালা করে দেয়া হয় এবং অভিযোগের শুনানির জন্য তনিকে অধিদপ্তরে হাজির হতে বলা হয়। পরবর্তীতে ১৪ মে দুই দফায় ৫০ হাজার ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় তনিকে।

 এছাড়া আরো জানা যায়, লুবনা ইয়াসমিন নামের এক নারীর (পেশায় আইনজীবী) অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী রায়। লুবনা ইয়াসমিন নামের ওই ক্রেতা সানবিস থেকে একটি পোশাক কিনেছিলেন ৯ ফেব্রুয়ারি। এর ৫৩ দিন পর ৩ এপ্রিল ওই নারী ভোক্তা অধিদফতরে অভিযোগ করেন। বাকি ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় রাজু নামের অপর এক ক্রেতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে।

এ ব্যাপারে তনির আইনজীবী জানান, নিয়মানুযায়ী যে কোনো পণ্য কেনার ৩০ দিনের মধ্যে সে পণ্যের ব্যাপারে ভোক্তা অধিদফতরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে হবে। তা না হলে আইনের ব্যত্যয় ঘটবে। কিন্তু লুবনা নামের যে ক্রেতার অভিযোগ তা করা হয়েছে প্রায় ২ মাসের কাছাকাছি সময়ে। তাছাড়া তনির কাছে জরিমানা আদায়ের রশিদ বাদে কোনো আদেশের কপি কিংবা নোটিশ দেয়ার প্রয়োজন মনে করেনি ভোক্তা অধিদফতর। এক্ষেত্রে তনিকে কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর সুযোগ না দেয়ার কথাও জানান এই আইনজীবী।

তিনি আরো বলেন, সমস্ত প্রক্রিয়াটিতেই আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। এমনকি এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে রিট করলে অধিদফতর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তনির অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও নজরদারি শুরু করেন। কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই তারা এধরনের একটি পদক্ষেপ নিতে পারে কিনা- সে ব্যাপারেই আইনি সমাধান চাচ্ছেন তনি। এছাড়া এখন তারা এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি করেছে। তবে তাকে শাস্তি দেয়ার পর কেন তদন্ত কমিটি গঠন হবে- সে প্রশ্ন থেকেই যায়। এরইমধ্যে তনির ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আইনজীবী খালেকুজ্জামান।

আরো পড়ুন:

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App